Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Indian economy

সাত বছরে সাত লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি হবে মোদির ভারত, দাবি সমীক্ষায়

ভারতে তৈরি জিনিসপত্রের জন্য বিশ্বের বাজার বিপুলভাবে উন্মক্ত হয়েছে এবং হচ্ছে বলে দাবি সমীক্ষায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৪, ১২:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৬, ২০২৪, ১২:৪৭

options
link
সাত বছরে সাত লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি হবে মোদির ভারত, দাবি সমীক্ষায় zoom
কোভিডের পর থেকে বিশ্বজুড়ে মূল্যবৃদ্ধি চলছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাত বছরের মধ্যে সাত লক্ষ কোটি মার্কিন ডলারের অর্থনীতি হতে চলেছে ভারত। এমনই বলছে ক্রিসিলের রিপোর্ট। দেশের অর্থনীতিতে ৬.৬ শতাংশ বৃদ্ধি আসতে চলেছে, এমনই পূর্বাভাস।

২০২৫ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যেই গতি আসছে ভারতের অর্থনীতিতে। বলছে রেটিং এজেন্স ক্রিসিল। অতি দ্রুতগতিতে এই সময়ের মধ্যে ভারতের অর্থনীতি বৃদ্ধি পাবে। এই বিষয়ক রিপোর্টে দেশের জিডিপি বা গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্টের বৃদ্ধি নিয়ে ক্রিসিল বলছে, চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৬.৮ শতাংশে। ইটি ক্রিসিল ইন্ডিয়া প্রোগ্রেস রিপোর্ট শীর্ষক ওই তথ্যে বলা হয়েছে, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকার বাজেটের রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস করার উপর জোর দিচ্ছে তাই তার সদর্থক ফল নিশ্চিতভাবেই বৃদ্ধির হারের উপর পড়বে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

খুচরো মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আসা প্রকাশ করেছে ক্রিসিল। ২০২৪-‘২৫ অর্থবর্ষে দেশে খুচরো মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ ৫.৪ শতাংশ থেকে কমে ৪.৫ শতাংশ দাঁড়াবে। দেশের আবহাওয়া এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকার কারণেও দেশের অর্থনীতি সদর্থক দিকে বইবে বলে আশ্বাসবাণী অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রিপোর্টে জানানো হয়েছে চলতি বছরে দেশে খরিফ শস্য বপনের পরিমাণ অনেকটাই বেশি যার থেকে লাভের অঙ্কও অনেকটা বেশি হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যার সরাসরি প্রভাব পড়বে অর্থনীতির উপর। এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকার কারণে রপ্তানির ক্ষেত্রও উন্মুক্ত হবে দেশের জন্য যা অর্থনীতিকে আরও মজবুত করবে বলে জানাচ্ছে ক্রিসিলের রিপোর্ট।

প্রসঙ্গত, ভারতে তৈরি জিনিসপত্রের জন্য বিশ্বের বাজার বিপুলভাবে উন্মক্ত হয়েছে এবং হচ্ছে বলেও জানিয়েছে ওই রিপোর্ট। তাই রপ্তানি করেও দেশের অর্থভাণ্ডার ফুলে ফেঁপে উঠবে বলে আশাপ্রকাশ করেছে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ ওই সংস্থা। যার সার্বিক প্রভাব বোঝা যাবে আগামী দশকের শুরুতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.