সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অনুপ্রবেশের সময় বিএসএফের গুলিতে খতম হল দুই বাংলাদেশি। মৃতরা গরু পাচারকারী ছিল বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের সীমান্ত লাগোয়া শেরপুরের শ্রীবারদি উপজেলার বাবেলকোনা এলাকায়। মৃতদের নাম উকিল মিঞা(৩০) ও খোকন মিঞা(২৫)।
[আরও পড়ুন: শীঘ্রই কি বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন সৃজিত-মিথিলা? জোর জল্পনা ঢাকায়]
বিএসএফ সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে বাংলাদেশের বাবেলকোনা সীমান্ত এলাকায় কয়েকজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখেন টহলদারির দায়িত্বে থাকা জওয়ানরা। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়া তাদের বারবার সর্তক করা হয়। কিন্তু, তাতে পাত্তা না দিয়ে সীমান্ত টপকে ভারতে অনুপ্রবেশ করে ওই সন্দেহভাজনরা। এরপরই গুলি চালাতে শুরু করেন বিএসএফ জওয়ানরা। এর ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু ওই দু’জনের। পরিস্থিতি খারাপ দেখে বাকিরা পালিয়ে যায়।
যদিও বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বা বিজিবি দাবি করেছে, শেরপুরের মেঘদল গ্রামের বাসিন্দা সুরজ মিঞার ছেলে উকিল একজন কলেজ পড়ুয়া। আর মাটিফাটা গ্রামের বাসিন্দা আজিজুল হকের ছেলে খোকন একজন ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সোমবার খুব ভোরে রাতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছে অবস্থিত মারাংপাড়া ব্রিজের কাছে ঘোরাঘুরি করা সময় ভুলবশত ভারতে অনুপ্রবেশ করে। আর তখনই তাদের গুলি করে বিএসএফ। ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দুজনের। পরে সোমবার বেলার দিকে পানিবাড়ি এলাকা থেকে উকিল মিঞার মৃতদেহ আর বিকেলে কর্ণঝোরা নদীর পাশে একটি ঝোপের থেকে খোকনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়।
[আরও পড়ুন: হোলি আর্টিজান হামলায় রায় ঘোষণার দিন ধার্য, নিরাপত্তা বাড়ল ঢাকায়]
এপ্রসঙ্গে কর্ণঝোরা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার খাদাকার আবদুল হাই জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে ওই দুই বন্ধু না বুঝে বাবলেকোনা এলাকা দিয়ে ভারতের সীমানায় প্রবেশ করেছিল। সেসময় বিএসএফের গুলিতে তাদের মৃত্যু হয়।
শ্রীবরদী থানার ওসি রুহুল আমিন তালুকদার জানান, পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহগুলি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল পাঠায়। রিপোর্টে উকিল মিঞা ও খোকন মিঞার বুকে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।