Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Dhaka

প্রচণ্ড বৃষ্টিতে বানভাসি ঢাকা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৪

৬ ঘণ্টায় ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ঢাকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩, ১৯:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩, ১৯:১৬

options
link
প্রচণ্ড বৃষ্টিতে বানভাসি ঢাকা, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত অন্তত ৪ zoom

সুকুমার সরকার,ঢাকা: বৃহস্পতিবার রাতের টানা বৃষ্টিতে বানভাসি ঢাকার মিরপুরের ঝিলপাড় বস্তি সংলগ্ন এলাকা। আর তাতেই ঘটল বিপত্তি। রাস্তার জমা জলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন সদস্যের। মর্মান্তিক এই ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন এক অটোরিকশা চালকও। 

জানা গিয়েছে, পরিবারের সকলে প্রাণ হারালেও বেঁচে গিয়েছে হোসাইন নামে সাত মাসের এক শিশু। ঘটনার রাতে ওই রাস্তায় দিয়ে যাচ্ছিলেন মিজান (৩০) ও তার স্ত্রী মুক্তা বেগম (২৫)। সঙ্গে ছিল মেয়ে লিমা (৭) ও ছেলে হোসাইন। জমে থাকা জলে হঠাৎ করেই তারা জলে পড়ে গেলে, সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন অনিক নামে এক অটোরিকশা চালক। হোসাইনকে তিনি জল থেকে তুলে দিতে পারলেও, লিমাকে তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তাঁরও। মৃত মিজানের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার ঝালকাঠিতে। মিরপুর এলাকায় ভাসমান দোকানে শরবত বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: পদক্ষেপই সার, ডেঙ্গুর দাপট অব্যাহত বাংলাদেশে, একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ২১ জনের]

এই বিষয়ে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনেকটা অলৌকিকভাবে বেঁচে গিয়েছে শিশুটি। মায়ের কোল থেকে ছিটকে পড়ে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পায় হোসাইন। শুক্রবার হোসাইনকে নিয়ে মিরপুর মডেল থানায় যান আমেনা বেগম নামে এক যুবতী। সেখানে গণমাধ্যমে আমেনা বেগম বলেন, “হোসাইনকে জল থেকে তুলে আমার বাড়িতে এনে শরীরে গরম তেল মালিশ করি। এর পর তাকে নিয়ে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। এখন সুস্থ রয়েছে হোসাইন।”

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকায় শুরু হয় তুমুল বৃষ্টি। টানা ৬ ঘন্টার ভারী বর্ষণে ডুবে গিয়েছে শহরের অনেক রাস্তা। যার জেরে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। লম্বা সময় ধরে রাস্তায় একই জায়গায় আটকে আছে অসংখ্য যানবাহন। ১০ মিনিটের হাঁটাপথ গাড়িতে যেতে দুই ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে। রাজধানীর নিচু এলাকাগুলোতে হাঁটু থেকে কোমর পর্যন্ত জলে ঢেউ খেলছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ১১৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

[আরও পড়ুন: পুজোয় স্বাদের ইলিশে টান! রপ্তানিতে রাশ টানল বাংলাদেশ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.