Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

জাতীয় পার্টির ইফতারে ‘সন্ত্রাসী’ হামলা, দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ইউনুসকে তুলোধোনা দলের চেয়ারম্যানের

এই ঘটনায় আহত হয়েছেন অনেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৫, ১৫:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২৫, ১৫:০৩

options
link
জাতীয় পার্টির ইফতারে ‘সন্ত্রাসী’ হামলা, দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে ইউনুসকে তুলোধোনা দলের চেয়ারম্যানের zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা: জাতীয় পার্টির (জাপা) ইফতার অনুষ্ঠানে ‘সন্ত্রাসী’ হামলা। দলের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুর বক্তব্য চলাকালীন এই কাণ্ড ঘটে। আহত হয়েছেন অনেকে। মাথা ফেটেছে বেশ কয়েকজন কর্মীর। এই ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মহম্মদ ইউনুসের সরকারকে তুলোধোনা করেছেন জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের। সন্ত্রাসী হামলা বলে তোপ দেগে তিনি বলেন, দেশের যা পরিস্থিতি তা বর্ণনার অতীত। অন্তর্বর্তী সরকার যখন সামাল দিতে পারছেন না, তাহলে তাদের ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও জাতীয় পার্টির সদস্যরা জানিয়েছেন, বুধবার বিকেল সোয়া পাঁচটার দিকে কাফরুলের কচুখেত এলাকার একটি রেস্তরাঁয় এই হামলা হয়। জাপার মহাসচিব যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন ১০ থেকে ১২ জন রেস্তরাঁয় ঢুকে হইচই শুরু করে। অনুষ্ঠান পণ্ড করার চেষ্টা করে। তখন সেখানে উপস্থিত জাপার নেতা-কর্মীরা তাদের বের করে দেন। তখন বেরিয়ে গেলেও ফের তারা হকিস্টিক, ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে ইফতার অনুষ্ঠানে হামলা চালায়। সেই সময় জাপার চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক-সহ অনেক নেতা অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। হামলায় অনেকে আহত হন। অভিযোগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনও সেখানে সদস্য ছিলেন না। খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। জাপার কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের কথায়, “যেসব লোক হামলা করেছে, তাদের বস্তির ভাড়া করা লোক মনে হচ্ছে। তাদের একটাই কথা ইফতারের অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে। আমরা বারবার বলেছি, তোমরা কারা, তোমাদের কী পরিচয়? তারা কিছুই বলেনি।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর আগে গত ৮ মার্চ ঢাকার পল্লবীতে বাধার মুখে জাপার ইফতার অনুষ্ঠান ভন্ডুল হয়ে যায়। পল্লবী থানাসংলগ্ন ২ নম্বর কমিউনিটি সেন্টারে ওই ইফতার হওয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, বিকেল সাড়ে চারটের দিকে একদল যুবক ইফতারের অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। ওই ইফতারে জাপার চেয়ারম্যান কাদেরের প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তখন তিনি রাস্তায় ছিলেন। পরপর এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছেন কাদের। তিনি বলেন, “আমরা মনে করি, বাংলাদেশ একটা সমূহ বিপদের দিকে, ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। যত তাড়াতাড়ি এই পরিস্থিতি দেশকে উদ্ধার করা যায় ততই ভালো। এর জন্য প্রয়োজন বর্তমান সরকার সরে গিয়ে নতুন সরকারের আসা।”

দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে জাপার চেয়ারম্যান বলেন, “এখন দেশ এমন একটা পর্যায়ে রয়েছে যা বর্ণনার অতীত। কোনও নাগরিকের জীবনের নিশ্চয়তা নেই। মানুষের এই অসহায় অবস্থা দেখে দুঃখ প্রকাশ ছাড়া কিছু করার নেই। একমাত্র আল্লার উপর ভরসা করে এখানকার মানুষ বেঁচে আছে। সরকারের প্রধান দায়িত্বই ছিল মানুষের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা। কিন্তু তারা ব্যর্থ। পুলিশকে সম্পূর্ণ অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। পুলিশকে কার্যকর করার ব্যবস্থা না করে এখন দেশটাকে আগুনের মুখে ফেলে দিচ্ছে। কেউ এখানে নিরাপদ না।” অন্তর্বর্তী সরকারের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “ওনারা যখন পারছেন না তখন ওনাদের ছেড়ে দিয়ে যাওয়া উচিত। যদি অন্য কেউ পারে, ভালো করে, তাহলে দেশের মানুষ রক্ষা পাবে। ওনারা যত তাড়াতাড়ি চলে যান, দেশ ও জাতির জন্য ততই মঙ্গল।” এমনকী নির্বাচন হলেও তা প্রহসন ছাড়া কিছু হবে না বলে উল্লেখ করেছেন জাপার চেয়ারম্যান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.