সুকুমার সরকার, ঢাকা: দোষী সাব্যস্ত হলে ছেলেকে কড়া সাজা দেওয়া হোক। এমনটাই দাবি জানিয়েছেন মধুপুর ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্তর মা জাহানারা বেগম। তিনি একা নন, ওই মামলায় ধিক্কার জানিয়েছেন বাকি অভিযুক্তদের পরিবারবর্গও। স্বজন হলেও মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে অভিযুক্তদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
[কাশ্মীরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে ৪৫০ জন পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি]
কয়েকদিন আগে ঢাকা থেকে ১১০ কিলোমিটার দূরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় এক আইনের ছাত্রীকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে চলন্ত বাসে ধর্ষণ করা ওই ছাত্রীকে। তারপর তাঁকে হত্যা করে অভিযুক্তরা। ইতিমধ্যে অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করেছে পুলিশ। তাদের নাম হচ্ছে বাসের চালক হাবিবুর রহমান (৪৫), সুপারভাইজার সফর আলি (৫৫), শামিম (২৬), আকরাম (৩৫) ও জাহাঙ্গির (১৯)। চালক হাবিবুর রহমানের মা জাহানারা বেগম বলেন, “আমার ছেলে এমন কাজ করতে পারে তা বিশ্বাস করতে পারছি না। আমার এই সন্তান এমন ঘটনা ঘটাবে তা কোনওদিন ভাবিনি। জাহাঙ্গিরের মা জাহানারা আক্তার বলেন, “যদি আমার ছেলে এমন কুকর্ম করে থাকে তাহলে তার যে শাস্তি হবে আমরা তা মেনে নেব।”
শুক্রবার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের পাশে মধুপুর উপজেলায় ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার হয়। শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে বগুড়ায় যাচ্ছিলেন নির্যাতিতা। পরীক্ষা শেষে এক সহকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে ময়মনসিংহগামী ছোঁয়া পরিবহনের বাসে ওঠেন। ওই সহকর্মীর কর্মস্থল ঢাকায় হওয়ায় তিনি টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় নেমে যান। শনিবার সকালেও তরুণী কর্মস্থলে না যাওয়ায় তাঁর অফিস থেকে বাড়িতে যোগাযোগ করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে নিখোঁজ থাকার কথা জানতে পেরে বাড়ির লোকেরা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
[‘লাভ জেহাদে’র নিশানায় হিন্দু যুবতীরা, ফাঁস ভয়ানক তথ্য]
মধুপুরের ওসি বলেন, মৃতদেহ শনাক্ত হওয়ার পর সোমবার রাতেই বাসের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন মৃতার দাদা। রাতেই অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ থেকে ছোঁয়া পরিবহনের চালক, সুপারভাইজার-সহ পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহতের মোবাইল ফোনটি পাওয়া যায় তাদের কাছে। পুলিশের দাবি, ধৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর পাঁচজনই অপরাধের কথা স্বীকার করেছে ।