Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Bangladesh

একনায়কতন্ত্র হঠানোই লক্ষ্য, প্রথমবার দ্বিকক্ষ সংসদ হবে বাংলাদেশে!

স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের পার্লামেন্ট এক কক্ষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৫, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৪, ২০২৫, ২০:৫০

options
link
একনায়কতন্ত্র হঠানোই লক্ষ্য, প্রথমবার দ্বিকক্ষ সংসদ হবে বাংলাদেশে! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলাদেশে একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটানোই লক্ষ্য। এবার দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠনের খসড়া তৈরি করেছে সংবিধান সংস্কার কমিশন। বুধবারই এই প্রস্তাব জমা দেওয়া হবে মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে। 

স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের পার্লামেন্ট এক কক্ষের। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০। যার মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। কিন্তু এবার বদল ঘটছে চলেছে এই নিয়মে। জানা গিয়েছে, সংবিধান সংস্কার কমিশনের খসড়া অনুযায়ী, এবার ৫০৫ আসনের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা তৈরি হতে চলেছে। সংসদের নিম্নকক্ষে থাকবে ৪০০ আসন। যার মধ্যে ১০০ আসন সংরক্ষিত থাকবে মহিলাদের জন্য। উচ্চকক্ষ হবে ১০৫ আসন নিয়ে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, সাংবিধানিক একনায়কতন্ত্র ঠেকাতে বা এক ব্যক্তির হাতেই যাতে ক্ষমতা কুক্ষিগত না হয়, তাই ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে বেশ কিছু সুপারিশ করবে এই কমিশন। পাশাপাশি বর্তমান সংবিধানের মূলনীতিতেও পরিবর্তন আনার সুপারিশ করা হবে। এই কমিশন তাদের সংস্কার প্রস্তাব চূড়ান্ত করে শেষ মুহূর্তের কাজ করছে। আগামীকাল তা প্রধান উপদেষ্টা ইউনুসের কাছে জমা দেওয়া হবে।

সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর মধ্যে থাকবে গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করা এবং সাংবিধানিক একনায়কতন্ত্র ঠেকানো। এ জন্য ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের উপর জোর দেওয়া হবে, যাতে এক ব্যক্তির হাতে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার সুযোগ না থাকে। এই লক্ষ্যে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ করা হবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ কয়টি মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে দলীয় প্রধান ও সংসদ নেতা যাতে না হন, এমন বিধান। নির্বাহী বিভাগের জবাবদিহি নিশ্চিত করা। নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের বিধান। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনা। নির্বাহী বিভাগ, আইন সভা ও বিচার বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। এছাড়াও নির্বাচন ব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন ও পুলিশ সংস্কার কমিশনও আগামীকাল তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে। কমিশনগুলোর পক্ষ থেকেই এই তথ্য জানানো হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.