Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bangladesh

বাংলাদেশে হিংসা রুখতে সক্রিয় সরকার, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ শেখ হাসিনার

ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২১, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৯, ২০২১, ১৯:১৯

options
link
বাংলাদেশে হিংসা রুখতে সক্রিয় সরকার, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থার নির্দেশ শেখ হাসিনার zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: বাংলাদেশে (Bangladesh) দুর্গোৎসব চলাকালীন বিভিন্ন জেলায় পরিকল্পিতভাবে মন্দির, পুজোমণ্ডপে হামলা, ভাঙচুর চালানো হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। মঙ্গলবার ঢাকায় হওয়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তদন্ত করে যারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।” পাশাপাশি ধর্মীয় ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের প্রতি এসব ইস্যুতে মতবিনিময় করতে প্রধানমন্ত্রী আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে সম্প্রীতি সমাবেশ আওয়ামি লিগের]

এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরও বলেছেন, কুমিল্লা ও রংপুরের ঘটনা একই সূত্রে গাঁথা। এসব ঘটনার পিছনে যে বা যারা জড়িত, তাদের খুঁজে বের করা হবে। একটি স্বার্থান্বেষী মহল দেশে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে ঢাকার পল্লবীতে শাহীন নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই ভিডিও ফুটেজ ব্যবহার করে একটি মহল ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

ISKCON temple & devotees violently attacked by a mob in Bangladesh

 

তাঁর আরও দাবি, “আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সব উইং বিষয়টি নিয়ে মাঠে কাজ করছে। আমরা বেশকিছু কল রেকর্ড পেয়েছি। সেগুলো শুনছি। সব বের করে ফেলব, তবে একটু সময় চাইছি।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান আরও জানান, হামলার উদ্দেশ্য হল সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করা। তিনি বলেন, “ফেসবুকের যেসব লিংক থেকে গুজব ছড়ানো হয়েছে, সেগুলো খুঁজে বের করা হচ্ছে। চাঁদপুরের হাজিগঞ্জে পুলিশ বাধ্য হয়ে গুলি করেছে। সেখানে চারজন মারা গিয়েছে।” প্রশাসনের অনুমান, কুমিল্লা ও রংপুরে যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে তা একই সূত্রে গাঁথা।

[আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার প্রতিবাদে সম্প্রীতি সমাবেশ আওয়ামি লিগের]

রংপুরের পীরগঞ্জে ২৫টি বাড়িতে আগুন, ৯০টির বেশি বাড়িঘরে লুঠপাট এবং ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, তাঁদের বাড়িঘর তৈরি করে দেওয়া হবে। ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে রাতেই অতিরিক্ত পুলিশ, এপিবিএন, র‌্যাব, বিজিবি ঘটনাস্থলে গিয়েছে। কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগেই বাড়িঘর লুটপাট এবং ভাঙচুরের ঘটনাগুলো ঘটে। এলাকাবাসীর সহায়তায় ৪৫ জনকে ধরা হয়েছে।

কুমিল্লা, রংপুর, নোয়াখালী, চাঁদপুর ও চট্টগ্রামের মন্দির ও পুজোমণ্ডপে হামলার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্নস্থানে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও সমাবেশ হয়েছে। গত বুধবার থেকে বাংলাদেশের অন্তত ১০ জেলায় পুজোমণ্ডপ, মন্দির-সহ হিন্দুদের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে। এসব হামলা কাণ্ডে ২৮টি মামলায় ৯ হাজার ৫২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিও রয়েছে। এ পর্যন্ত ২২৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে জামাত-বিএনপির কয়েকজন নেতাও রয়েছেন। কুড়িগ্রামের উলিপুরে পাঁচটি মামলা হয়েছে। ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ফেনীতে আরও দু’জনকে আটক করেছে র‌্যাব। নোয়াখালীতে ১৮টি মামলা হয়েছে। ৯০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বান্দরবানের লামায় দুই মামলায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.