সুকুমার সরকার, ঢাকা: সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন পাশ হওয়ার পরেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ভারতের পরিস্থিতি। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারপরও এই ঘটনাকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে বারবার উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ। এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতেও চাইনি তাদের কেউ। তবে এই বিলটি আইন পরিণত হওয়ার পরেই ভারত সফর বাতিল করেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র ও বিদেশমন্ত্রী। এবার ভারতের সীমান্তবর্তী এক কিলোমিটার এলাকা পর্যন্ত মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিষেবা বন্ধ করল তারা। এর ফলে সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকাগুলিতে বসবাসকারী প্রায় এককোটি মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, CAA নিয়ে বিক্ষোভের জেরে ভারতের পরিস্থিতি খুবই অস্থির হয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য না করলেও পরিস্থিতির দিকে সতর্ক দৃষ্টিতে লক্ষ্য রাখছে ঢাকা। দরকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিচ্ছে। তারই অঙ্গ হিসেবে সীমান্ত থেকে এক কিলোমিটার এলাকার মধ্যে মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। রবিবার এই বিষয়ে বাংলাদেশের টেলিকম নিয়ন্ত্রণ সংস্থা(BTRC) থেকে মোবাইল ফোন অপারেটরদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়। তারপরই ওই এলাকাগুলিতে মোবাইল পরিষেবা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেন চারটি মোবাইল সংস্থার অপারেটররা।
[আরও পড়ুন: শরণার্থী শিবিরে গুলির লড়াই, খতম দুর্ধর্ষ রোহিঙ্গা ডাকাত]
এপ্রসঙ্গে বাংলাদেশের ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেন, সরকারের শীর্ষস্তর থেকেই এই বিষয়ে নির্দেশ এসেছে। সেই অনুযায়ী মোবাইল অপারেটরদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে বিটিআরসি। এর সঙ্গে আমাদের মন্ত্রকের কোনও সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে যা বলার বিটিআরসি কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে।
[আরও পড়ুন: স্বামীর মদতে মহিলাকে রাতভর গণধর্ষণ ৮ যুবকের, অভিযোগ দায়ের নির্যাতিতার]
বিষয়টি মেনে নিয়ে ওই সংস্থার চেয়ারম্যান জানান, সরকারের শীর্ষস্তরে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারতের পরিস্থিতি নিয়ে কেউ যাতে গুজব ছড়াতে না পারে সেই চেষ্টাই করা হচ্ছে। সেই কারণেই হয়তো এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।