সুকুমার সরকার, ঢাকা: ভারতে সন্ত্রাসের বিষ ছড়ানোর ছক কষছে বাংলাদেশের একাধিক জঙ্গি সংগঠন। আশঙ্কা সত্যি করে প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগের তরফে পেশ করা এই রিপোর্টে রীতিমতো সিঁদুরে মেঘ দেখছে নয়াদিল্লি। ঘটনায় রীতিমতো নড়েচড়ে বসেছে প্রতিরক্ষা বিভাগও।
[‘সঞ্জু’তে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, নির্মাতাদের আইনি নোটিস আবু সালেমের]
কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশের প্রধান বন্দরশহর চট্টগ্রামে পুলিশের জালে পড়ে কুখ্যাত জঙ্গিনেতা মহম্মদ জুবের। জেহাদি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি)-র গোয়েন্দা শাখার প্রধান জুবের। বাংলাদেশে একাধিক নাশকতার নেপথ্যে তার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। ওই জঙ্গিনেতাকে জেরা করে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য জানতে পেরেছেন সে দেশের গোয়েন্দারা। জেরায় জানা গিয়েছে, ভারতে শিকড় জমানোর চেষ্টা চালাচ্ছে জেহাদি সংগঠন এবিটি। নাগাল্যান্ডে কুকি বিদ্রোহীদের সঙ্গে এনিয়ে একাধিকবার আলোচনা চালিয়েছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনটি। কুকি শিবিরে আনসার জঙ্গিদের অস্ত্র ও বিস্ফোরক বানানোর প্রশিক্ষণ নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছিল জুবের। উল্লেখ্য, ভারত ও মায়ানমার দুই দেশেই ঘাঁটি রয়েছে কুকি জঙ্গিদের। তাদের সঙ্গে আঁতাত গড়ে নাশকতার ছক সাজাচ্ছে আনসার।
১৭ জুলাই চট্টগ্রাম থেকে জুবেরকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। রাজধানী ঢাকা খুন হওয়া ব্লগার ও সমকামী আন্দোলনের নেতা জুলহাজ মান্নান ও মাহাবুব রাব্বি তনয় হত্য-সহ একাধিক মামলায় জড়িত জুবের। জবানবন্দিতে এই কথা স্বীকারও করেছে ওই জঙ্গিনেতা। অভিজিৎ রায় হত্যার ঘটনাস্থল নিজে রেইকি করেছিল জুবের। ২০১৩ সালে ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ সংগঠনে যোগ দেয় জুবের। প্রসঙ্গত, ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাসবাদীদের নির্মূল করতে একের পর এক অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফলে বাঁচতে অসম ও পশ্চিমবঙ্গে গা ঢাকা দিয়েছে বহু জেহাদি। এমনটা হুঁশিয়ারি আগেই দিয়েছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। এবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হল।
[পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদে বসতে চলেছেন ইমরান, টুইটে অভিনন্দন প্রথম স্ত্রীর]