সুকুমার সরকার, ঢাকা: আঁটসাঁট নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকায় শুরু হল ভোটগ্রহণ। শনিবার সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ পৌরনিগমের মোট ২ হাজার ৪৬৮টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এই নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে প্রায় ৫০ হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা ধানমন্ডির সিটি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন।
এছাড়া ভোট দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইশরাক হোসেন ও আওয়ামী লীগের মনোনীত মেয়র প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপস। ঢাকা উত্তরের বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থী তাবিথ আউয়াল গুলশানে এবং আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আতিকুল ইসলাম উত্তরায়ও ভোট দিয়েছেন সকালেই।
[ আরও পড়ুন: নাগরিকদের ফেরত আনতে করোনা আক্রান্ত চিনে বিমান পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ ]
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার নির্বাচন যাতে সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্য সবরকম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তারক্ষীদেরও মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ঢাকার যাঁরা বাসিন্দা নন তাঁদের শহর ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকার নাগরিকদের ছবি-সহ পরিচয়পত্র নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রাতে শহরজুড়ে তল্লাশি চালানোর ফলে মোট ১৪ জন গ্রেপ্তার হয়েছে। তারা ভোটের আগে হিংসা ছড়ানোর উদ্দেশ্য নিয়ে জড়ো হয়েছিল সন্দেহ করছে পুলিশ।
এদিকে নির্বাচনে পুলিশ যাতে নিরপেক্ষ আচরণ করে তার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে ঢাকার পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সমস্ত পুলিশকর্মীকেই নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। কোনওভাবে যাতে তাঁরা পক্ষপাতমূলক আচরণ না করেন সে বিষয়েও সর্তক করা হয়েছে। প্রকৃত ভোটারদের যাতে ভোট দিতে কোনও অসুবিধা না সেদিকেও খেয়াল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুলিশের অতি সক্রিয়তা বা বাড়াবাড়ির কারণে কেউ যেন তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত না হন এটাই আমরা নিশ্চিত করতে চাই।’
[ আরও পড়ুন: ঢাকা পৌরনিগমের নির্বাচনে পুলিশকে নিরপেক্ষ ও সংযত থাকার নির্দেশ কমিশনের ]
প্রসঙ্গত, এবারই প্রথম পুরো ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়াটি চলবে EVM-এ। এর ফলে সাধারণ মানুষদের অনেকেই কিছুটা চিন্তায় আছেন। আসলে এর আগে কোনওদিন কাগজ ছাড়া শুধুমাত্র EVM-র মাধ্যমে ভোট দেননি। তাই সমস্যা হচ্ছে।