Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
আওয়ামি লিগ

‘আমি ছুটি চাইলেও ওরা দিল না’, ফের আওয়ামি লিগের সভাপতি হয়ে মন্তব্য হাসিনার

এই নিয়ে ৯ বার আওয়ামি লিগের সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২১, ২০১৯, ১৮:৩৭

options
link
‘আমি ছুটি চাইলেও ওরা দিল না’, ফের আওয়ামি লিগের সভাপতি হয়ে মন্তব্য হাসিনার zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: ‘আমি চাইছিলাম, আমাকে একটু ছুটি দেবেন। আপনাদের ভাবতে হবে আমার বয়স হয়ে গেছে। আমার বয়স এখন ৭৩। তারপরও আমাকে আপনারা যে দায়িত্ব দিয়েছেন সেই দায়দায়িত্ব যেন সঠিকভাবে পালন করতে পারি।’ নবমবারের মতো আওয়ামি লিগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এই মন্তব্যই করলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার দুপুরে ঢাকার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন প্রাঙ্গণে দলের জাতীয় সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বের অধিবেশনে সভাপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম ঘোষণা করা হয়। এপ্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭৫ সালে মা, বাবা, ভাই, বোন সব হারিয়েছি। আপনজন বলতে অধিকাংশ আর কেউ নেই। তাই আওয়ামি লিগকে আমার পরিবার হিসেবে বেছে নিয়েছি। আওয়ামি লিগের নেতা-কর্মীদের ভালবাসাই আমার চলার শক্তি।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আওয়ামি লিগের দায়িত্ব নিতে হবে কখনও ভাবিনি’, বললেন শেখ হাসিনা]

 

এদিকে টানা দ্বিতীয়বার দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হলেন সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় সাড়ে ৭ হাজারের বেশি কাউন্সিলর। উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হতে নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানান।

[আরও পড়ুন: পাপের প্রায়শ্চিত্ত! সংসার বাঁচাতে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে প্রেমিককে খুন যুবতীর]

 

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়তে দলকে সুসংগঠিত করার বিকল্প নেই। আমার বাবা সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছেন দেশের মানুষের জন্য। তিনি কারও কাছে মাথা নত করেননি। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়ে তোলা এবং জাতিকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনে নিয়ে যাওয়াই ছিল তাঁর ধ্যানজ্ঞান। কিন্তু, তিনি সেই স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি। ঘাতকরা আমার বাবা-মা ও তিনভাই-সহ পরিবারের সবাইকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যা করে। পুরো পরিবারকে হারানোর পর ১৯৮১ সালে ভারতের নির্বাসিত জীবন ছেড়ে দেশে ফিরেছিলাম। তাই আমার রাজনীতিতে আসার একটাই লক্ষ্য বাবার সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণ করা।’

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.