Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Rohingya

রোহিঙ্গা শিবিরে জারি নতুন বিধিনিষেধ! মানবাধিকার সংগঠনের প্রশ্নের মুখে হাসিনা সরকার

প্রায় ১১ লক্ষ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২২, ১১:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৪, ২০২২, ১১:৩৭

options
link
রোহিঙ্গা শিবিরে জারি নতুন বিধিনিষেধ! মানবাধিকার সংগঠনের প্রশ্নের মুখে হাসিনা সরকার zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা শিবিরে নতুন বিধিনিষেধ জারি করেছে বাংলাদেশ (Bangladesh)। গত কয়েকমাসে শরণার্থীদের আবাস, চলাফেরা ও শিক্ষা সংক্রান্তি বিষয়ে নতুন করে বেশকিছু বিধিনিষেধ লাগু করেছে হাসিনা সরকার। এমনটাই দাবি করেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’।

[আরও পড়ুন: টিপ পরে রাস্তায় বেরনোর শাস্তি! ঢাকার শিক্ষিকাকে বাইকে পিষে দেওয়ার চেষ্টা পুলিশ কর্মীর]

মানবাধিকার সংস্থাটির দাবি, কক্সবাজারের রোহিঙ্গা (Rohingya) শিবিরগুলিতে কয়েক হাজার দোকান ভেঙে দিয়েছে প্রশাসন। বন্ধ করে দেওয়া হয়ছে বেশ কয়েকটি স্কুল। একইসঙ্গে ক্যাম্পের মধ্যে রোহিঙ্গাদের চলাফেরায় জারি হয়েছে নানা নিয়ম। এর ফলে স্বাধীনভাবে থাকতে পারছে না শরণার্থীরা। ‘হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর দক্ষিণ এশিয়া ডিরেক্টর মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আমরা জানি বাংলাদেশে কাঁধে প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থীর বিরাট বোঝা রয়েছে। কিন্তু কর্ম ও শিক্ষাক্ষেত্র থেকে রোহিঙ্গাদের দূরে সরিয়ে রাখলে সমস্যা আরও জটিল হয়ে উঠবে। এর ফলে ত্রাণের উপর আরও নির্ভরশীল হয়ে উঠবে শরণার্থীরা। তাই রোহিঙ্গাদের কর্মসংস্থান দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বাংলাদেশের সরকারকে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গা শরণার্থীর সঙ্গে কথা বলেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ’-এর প্রতিনিধিরা। শরণার্থীরা জানিয়েছেন, সরকারের বেশকিছু বিধিনিষেধের জেরে কোনও কর্মসংস্থান নেই। ফলে পরিবারের মুখে খবর তুলে দিতে ব্যর্থ তাঁরা। সন্তানের পড়াশোনারও কোনও ব্যবস্থা করতে পারছেন না তাঁরা। তারউপর সমুদ্রের মাঝে ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের পাঠাচ্ছে সরকার। সেখানে নতুন করে জীবন শুরু করার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই অভিযোগ করেন অনেকে।

উল্লেখ্য, মায়ানমারে রোহিঙ্গা জঙ্গিদের মদত দিচ্ছে পাকিস্তানের কুখ্যাত গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। মায়ানমারের জঙ্গি সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি তথা আরসা-কে মদত দিচ্ছে তারা। আর সেই প্রভাব এসে পড়ছে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবিরগুলিতে। বিগতদিনে শরণার্থীদের মধ্যে জঙ্গিদের তৎপরতা বেড়েছে বলেও একাধিক রিপোর্টে জানিয়েছে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা সংস্থাগুলি। বাড়ছে হিংসার ঘটনা। গত বছর উখিয়ার লম্বাশিয়া শিবিরে রোহিঙ্গা নেতা মহম্মদ মুহিবুল্লাকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। তাই প্রশাসন সূত্রে খবর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে শরণার্থী শিবিরগু;লিতে বেশকিছু বিধিনিষেধ চালু করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: আঁধারে ডুবে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি, তবুও উদাসীন প্রশাসন]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.