সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা ইস্যুতে ফের ধাক্কা খেল বাংলাদেশ-মায়ানমার সম্পর্ক। চুক্তি স্বাক্ষর করলেও শরণার্থীদের ফেরত নিতে টালবাহানা করছে সু কি সরকার। এখনও পর্যন্ত মাত্র ৬৭৫ জন রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে নাইপিদাও।
[কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা মামলার রায়দান, কড়া নিরাপত্তা যোধপুর আদালত চত্বরে]
প্রত্যাবাসন চুক্তি অনুযায়ী ৮ হাজার ৩২ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের তালিকা তৈরি করে বাংলাদেশ। কথা ছিল প্রথম দফায় তাঁদের ফিরিয়ে নেবে মায়ানমার। সেই তালিকা পাঠানো হয় মায়ানমারের কাছে। তবে ওই তালিকা থেকে মাত্র ৬৭৫ জনকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে সে দেশের প্রশাসন। মায়ানমারের ইমিগ্রেশন ও পপুলেশন ডিপার্টমেন্টের সচিব মিন্ট কায়িং জানিয়েছেন, বাংলাদেশের দেওয়া তালিকা থেকে অধিকাংশ শরণার্থীদের নাম বাতিল করতে হয়েছে। ওই তালিকায় অনেক জঙ্গির নাম রয়েছে। রাখাইনে সরকারি বাহিনীর উপর হামলায় হাত ছিল এদের। ইতিমধ্যে এই সিদ্ধান্তের কথা ঢাকাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কবে এই শরণার্থীদের ফেরত নেওয়া হবে সেই বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি তিনি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে রয়েছে প্রায় সাত লক্ষ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু। ফলে প্রবল চাপে দেশটির অর্থনীতি। দ্রুত অবনতি ঘটছে আইনশৃঙ্খলারও। রোহিঙ্গাদের জঙ্গি যোগ নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন সে দেশের সরকার। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে রাজি হলেও টালবাহানা করছে মায়ানমার। পরিচয় যাচাই করার নামে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া থমকে দিয়েছে সু কি সরকার। এহেন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের তালিকা বাতিল করে ফের পরিস্থিতি জটিল করে তুলল মায়ানমার।
[দলিত বিক্ষোভের আঁচ হৃদয়পুরে, অবরোধে বিঘ্নিত বনগাঁ শাখার ট্রেন চলাচল]