Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সময় লাগবে, বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে জানাল মায়ানমার

বাংলাদেশে রয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ রোহিঙ্গা শরণার্থী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ১৪:৪৯

options
link
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে সময় লাগবে, বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে জানাল মায়ানমার zoom

সুকুমার সরকার, ঢাকা: রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। তাদের দেশে ফেরাতে সময় লাগবে। বাংলাদেশের উদ্বেগ বাড়িয়ে এমনটাই জানালেন মায়ানমারের কাউন্সিলর আং-সান সু কি। বৃহস্পতিবার জাপানি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মুখ খোলেন তিনি।

[রোহিঙ্গা শরণার্থীদের রান্নার জ্বালানি জোগাতে বন উজাড় কক্সবাজারে]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই রোহিঙ্গাদের ফেরাতে চুক্তি স্বাক্ষর করে মায়ানমার। যদিও নানা আইনি জটিলতার দুহাই দিয়ে আজও ওই চুক্তি বাস্তবায়িত করেনি সে দেশ। এদিন নেত্রী সু কি বলেন, “শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য দুই পক্ষকেই সমানভাবে কাজ করতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী আমরা বাংলাদেশকে ফর্ম দিয়েছিলাম। তবে তা বিতরণ করা হয়নি। শরণার্থীদের পরিচয় সম্বন্ধে নিশ্চিত হয়ে তাদের ফেরত নেওয়া হবে।” এদিন পরোক্ষে সরকারে বার্মিজ সেনার প্রভাবের কথা স্বীকার করেন সু কি। তিনি সাফ জানান, মায়ানমারে গণতন্ত্র এখনও অসম্পূর্ণ। পার্লামেন্টের ২৫ শতাংশ আসন এখন পর্যন্ত জেনারেলদের জন্য সংরক্ষিত।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে টালবাহানা করার পর শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনের জন্য রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সু কি সরকার। মায়ানমারের রাজধানী নাইপিদাওয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বিতাড়িত রোহিঙ্গাদের ফেরাতে রাখাইন প্রদেশে উপযুক্ত পরিস্থিতি তৈরিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এর আগে এপ্রিল মাসে বাংলাদশের সঙ্গে শরণার্থীদের প্রত্যাবাসন নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রসংঘ। মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রোহিঙ্গাদের গণহত্যা নিয়ে আগেও মায়ানমারকে কড়া বার্তা দিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ। তবে কিছুতেই বিতাড়িতদের ফেরত নিতে রাজি হয়নি নাইপিদাও। তারপরই ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে শুরু করে আমেরিকা চাপ বাড়ায় সু কি সরকারের উপর। আন্তর্জাতিক মঞ্চে একপ্রকার একঘরে হয়ে পড়ে নাইপিদাও। মনে করা হচ্ছে, এতেই কিছুটা পিছু হটেছে বার্মিজ সেনা। তারই ফলস্বরূপ স্বাক্ষরিত হয় এই চুক্তি। এই চুক্তির ফলে উদ্বাস্তুদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

[রোহিঙ্গা গ্রামে হানা দিল ‘সারাপা’, রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ একাধিক গ্রামবাসী]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.