Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
কোন্নগর কলেজ

কোন্নগরের হীরালাল কলেজে অধ্যাপক নিগ্রহের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ টিএমসিপি সদস্য

কথা না শুনলে টার্গেট করার অভিযোগ উঠছে টিএমসিপির বিরুদ্ধে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৯, ১৪:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০১৯, ১৪:২০

options
link
কোন্নগরের হীরালাল কলেজে অধ্যাপক নিগ্রহের ঘটনায় গ্রেপ্তার ২ টিএমসিপি সদস্য zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অধ্যাপক নিগ্রহের ঘটনার গ্রেপ্তার হল দুই তৃণমূল কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সদস্য। বুধবার কলেজের ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে টিএমসিপির সদস্যদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোন্নগর হীরালাল পাল কলেজ। সমাধান করতে গিয়ে আক্রান্ত হন অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়। ঘটনার পর পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম বিজয় সরকার ও সন্দীপ পাল।

[ আরও পড়ুন: ফের অশান্ত ভাটপাড়া, এবার পুরপ্রধানকে লক্ষ্য করে চলল গুলি ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার ছাত্র সংঘর্ষকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কোন্নগর হীরালাল পাল কলেজ প্রাঙ্গণ। অভিযোগ, টিএমসিপির সদস্যরা এমএ-র ছাত্রী শিউলি ঘোষকে চড় মারে। ঘটনার প্রতিবাদ জানান ২৬ জন ছাত্রী। কিন্তু ফল হয় বিপরীত। টিএমসিপি কলেজের গেট বন্ধ করে দিয়ে ছাত্রীদের কলেজের মধ্যে আটকে রাখে বলে অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত কলেজেরই এক শিক্ষিকা ও শিক্ষক ছাত্র সংসদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেন। হঠাৎই তৃণমূল পরিচালিত ছাত্র সংসদের ছাত্রছাত্রীরা দাবি করে এমএ-র ছাত্রীদের ‘তৃণমূল কংগ্রেস জিন্দাবাদ’, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ বলতে হবে। এতে ছাত্রীরা তীব্র প্রতিবাদ জানান। বলেন, তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মী নন, আর কলেজে তাঁরা রাজনীতি করতে আসেননি। এরপরই ছাত্রীদের কলেজে আটকে রাখা হয়। কলেজেরই অধ্যাপক সুব্রত চট্টোপাধ্যায় ঘটনার মধ্যস্থতা করতে যান। অভিযোগ, টিএমসিপির সদস্যরা কলেজের গেটের সামনে তাঁকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করেন। মারের চোটে সুব্রতবাবুর কপাল কেটে যায়। মুখে আঘাত লাগে।

সুব্রত চট্টোপাধ্যায় জানান, এমএ-র ছাত্রী শিউলি ঘোষকে চড় মারার প্রতিবাদ জানতে গিয়েই রোষের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। তিনি টিএমসিপির সদস্যদের ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে বলেছিলেন বলেই তাঁর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে। কারণ বেশ কয়েক বছর ধরেই কলেজে দৌরাত্ম্য বেড়েছে টিএমসিপির। তাঁর আরও অভিযোগ, যেসব অধ্যাপকরা টিএমসিপির কথা শোনে না তাদের টার্গেট করা হয়। তিনিও সেই দলেই পড়েন। তাই তাঁর উপর চড়াও হতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি ছাত্ররা। তবে বর্তমান পরিস্থিতি এখন অনেকটাই আয়ত্তে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ২ টিএমসিপি সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: ডেপুটেশন দিতে গিয়ে স্কুলে ভাঙচুর, বনগাঁয় গ্রেপ্তার বিজেপি নেতা ]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.