Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
করোনা

একদিনে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ল করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা, কলকাতাকে টপকে গেল উঃ ২৪ পরগনা

রাজ্যে একদিনে করোনার বলি ৬১।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২০, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৫, ২০২০, ২১:০০

options
link
একদিনে রাজ্যে লাফিয়ে বাড়ল করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা, কলকাতাকে টপকে গেল উঃ ২৪ পরগনা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত কয়েক দিনে ধরে রাজ্যের সুস্থতার ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফটা স্বস্তি দিচ্ছিল বঙ্গবাসীকে। কিন্তু বুধবার ফের উদ্বেগ বাড়াল সংক্রমিতের সংখ্যা। লাফিয়ে বাড়ল মৃত্যুও। রাজ্যজুড়ে লকডাউনের দিন সন্ধে এমন খবরে রীতিমতো ঘুম ওড়ার জোগাড়।

বুধবার রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে সংক্রমিত ২,৮১৬ জন। যা এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। যার মধ্যে শুধু কলকাতাতেই আক্রান্ত ৬৬৫ জন। তবে কলকাতাকে পিছনে ফেলে সংক্রমণের শীর্ষে উঠে এল উত্তর ২৪ পরগণা। সে জেলায় একদিনে ৭০৯ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে ভাইরাস। এর ফলে বাংলায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮৩ হাজার ৮০০। টেস্টিং বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধি পেয়েছে অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে বাংলার মোট অ্যাকটিভ কেস ২২ হাজার ৯৯২।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: অযোধ্যা যাত্রায় করোনা কাঁটা, লকডাউনে বাড়িতে বসেই পূজার্চনা বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের]

তবে এদিন চিন্তার ভাঁজ গভীর করল মৃত্যুর সংখ্যা। এই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ৬০ পেরল। একদিনে করোনার বলি ৬১ জন। কেবলমাত্র তিলোত্তমাতেই ২৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ১,৮৪৬। তবে এর মধ্যেও আশা জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেই দিশেহারা হওয়ার কোনও কারণ নেই। সুস্থ হয়ে এ কথাই যেন প্রমাণ করে দিচ্ছেন তাঁরা। নানা বয়সের মানুষই সুস্থ হয়ে উঠছেন সঠিক চিকিৎসায়। একদিনে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন ২০৭৮ জন। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ ৫৮ হাজার ৯৬২ জন। সুস্থতার হার ৭০.৩৬ শতাংশ।

লকডাউন, সামাজিক দূরত্ব পালন, মাস্ক-স্যানিটজার কোনও কিছুতেই যেন বাগে আসছে না মারণ ভাইরাস (Coronavirus)। তবে ট্রেসিং, ট্র্যাকিং, টেস্টিংয়ের মাধ্যমেই করোনাতে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে টেস্টিংয়ের সংখ্যাও। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৪ হাজার ৪৭টি। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে মোট স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে ১০ লক্ষ ৩ হাজার ২৭টি।

[আরও পড়ুন: আন্তরিক মমতা, উষসীকে ফোন করে করোনা আক্রান্ত শ্যামল চক্রবর্তীর খোঁজ নিলেন]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.