Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Murshidabad Medical College

৪৮ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের রেফার করা হচ্ছে হাসপাতালে তাই জেরেই মৃত্যু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৪, ১৩:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০২৪, ১৩:৩০

options
link
৪৮ ঘণ্টায় ৭ শিশুর মৃত্যু, প্রশ্নের মুখে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: গত দুদিনে সাত শিশুর মৃত্যু হল মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ওই হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক ও এসএনসিইউ বিভাগে একের পর শিশু মৃত্যুর ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে। যদিও মৃত শিশুদের পরিবারের অভিযোগ গত ২৪ ঘণ্টায় ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের দাবি, রেফার হওয়া অপুষ্টি বাচ্চা বেশি ভর্তি হওয়ার কারণেই মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (Murshidabad Medical College) পেডিয়াট্রিক বিভাগ, এস এনসিইউ এবং পিকু বিভাগে মোট ১৫০ টি বেড রয়েছে। এসএনসিইউ বিভাগে ৬০টি বেডে ৯৬ শিশু ভর্তি রয়েছে। এছাড়া পিকু ও পেডিয়াট্রিক বিভাগে মোট ৯০টি বেডে ১৮০ জন শিশু ভর্তি। শিশু বিভাগের চিকিৎসকদের দাবি, অপুষ্টি জনিত বাচ্চাদের রেফার করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। যার মধ্যে ৫০০ গ্রাম ওজনের বাচ্চাও রয়েছে। সদ্যজাত কোনও বাচ্চার মৃত্যু হলে ৬ ঘণ্টা রাখা হয়। ফলে ২৪ ঘন্টায় ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এ কথা সত্য নয়। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: রথের আনন্দ মাটি করবে বৃষ্টি? কী বলছে হাওয়া অফিস]

রেজিনগরের বাসিন্দা হাসিবুর শেখ জানান, তাঁর নাতির জন্ম হয়েছিল একটি নার্সিংহোমে। শিশুটির শারীরিক ব্যবস্থা খুব খারাপ ছিল। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তড়িঘড়ি ওই শিশুকে ভর্তি করেও বাঁচানো যায়নি। তবে তাঁর চোখের সামনেই আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে দাবি হাসিবুর। ফারাক্কার পিন্টু শেখ বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর পঞ্চম শিশুর জন্ম হয়েছে। তবে ঠিক কি কারণে তার শিশুর মৃত্যু হল সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না।

মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ চিকিৎসক অমিতকুমার দা বলেন, “একদিনে ৮ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে এই খবর নেই। তবে গোল্ডেন আওয়ারের আগে অনেক শিশুদের রেফার করা হচ্ছে। ফলে শিশু মৃত্যু ঘটছে। হাসপাতালে শিশু বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় শিশু মৃত্যু বাড়ল কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে।” সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান।

[আরও পড়ুন: হাথরাসের স্বজনহারাদের পাশে রাহুল, দেখা করতে যাবেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.