মৃন্ময় লাহিড়ি, কোচবিহার: পাশের রাজ্যের গুয়াহাটিতে সবথেকে বড় দুর্গা নিয়ে উৎসাহ তুঙ্গে। বড় প্রতিমার দৌড়ে কোচবিহার কেন পিছিয়ে দেখাবে। তবে এখানে দুর্গা নয়, শিবমূর্তি উঁচু করার যুদ্ধ।
[‘বাহুবলী’ থিম চুরির অভিযোগ, এবার পুজোয় বাড়তি উত্তাপ]
৮০ ফুট উঁচু শিবমূর্তি এবার পুজোয় অন্যতম আকর্ষণ কোচবিহারে। শহরের টাকাগাছ কিশোর সংঘ ও পাঠাগারের পুজোর ৫৬তম বর্ষে দক্ষিণ ভারতের আদিযোগী শিবমূর্তিকেই থিম করা হয়েছে। পাশাপাশি থাকছে কলকাতার কুমোরটুলির শিল্পীদের হাতে তৈরি মায়ের প্রতিমা। থাকছে মেদিনীপুরের ব্যান্ড পার্টি ও রনপা। সবমিলিয়ে পুজোর প্রস্ততি এখন প্রায় শেষের দিকে। পাতলাখাওয়ার শিল্পী লক্ষ্মণ পালের হাতে রূপ পাচ্ছে দেবাদিদেবের মূর্তি। পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, পৌরাণিক কাহিনিকে তুলে ধরতেই এবারের থিম ভাবা হয়েছে। কোচবিহারে এমন উদ্যোগ আগে কেউই নেয়নি বলে দাবি আয়োজকদের। তাদের বক্তব্য, ৮০ ফুটের এই বিশালকার মূর্তি পুজোর ইউএসপি। বিশালাকার প্রতিমার টানে প্রচুর দর্শনার্থী আসবেন বলে তাদের আশা।
[অশুভ বিনাশে এবার পুজোয় ‘অসুর’ ধর্ষক বাবা রাম রহিমই]
কলকাতার দেশপ্রিয় পার্কের সবথেকে উঁচু দুর্গা এই পুজোর প্রেরণা বলা যায়। ৮০ ফুট উঁচু ভোলানাথের মূর্তি তৈরি করা হচ্ছে থার্মোকল দিয়ে। যাতে পুজোর পর তা খুলে ফেলা যায়। শিল্পী লক্ষ্মণ পাল পাতলাখাওয়া গ্রামে নিজের কারখানাতেই আশি ফুট উঁচু মূর্তি তৈরি করছেন। শুধু বড়দের আনন্দই নয় ছোটদের আনন্দ দিতে থাকছে বিশেষ আয়োজন। মিকি মাউস, ছোটা ভীম, চার্লি চ্যাপলিন ঘুরে বেড়াবে মণ্ডপে। মেদিনীপুর থেকে শিল্পীরা আসছেন টাকাগাছে। থাকছে চন্দন নগরের আলোকসজ্জা। আলোর রোশনাইয়ে সামাজিক সচেতনতার বিষয়ও তুলে ধরা হবে। মহাপঞ্চমীতে এই পুজোর সূচনা। তবে সবকিছু ছাপিয়ে উত্তরবঙ্গের সবথেকে বড় মূর্তি নিয়ে এখন কোচবিহার জুড়ে আলোচনা।