দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: চিকিৎসাধীন রোগীর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ায় সিল করা হল গোটা নার্সিংহোম। বন্ধ জয়নগরের ওই বেসরকারি হাসপাতালের সামনের রাস্তাও। এই ঘটনা এক ধাক্কায় সংক্রমণের আতঙ্ক কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই জানালেন স্থানীয়রা।
পুরসভা সূত্রে খবর, গত ১০ এপ্রিল মূত্রাশয়ের সমস্যা নিয়ে মথরাপুরের বাপুলি বাজারের এক বাসিন্দা ভরতি হয়েছিলেন জয়নগরের মজিলপুরের ওই নার্সিংহোমে। সেখানে তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ লক্ষ্য করেন চিকিৎসকরা। ১৩ এপ্রিল নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় কলকাতায়। বুধবার রিপোর্ট এলে জানা যায়, করোনা আক্রান্ত ওই ব্যক্তি। এরপরই সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে মথুরাপুরে। রিপোর্ট পাওয়া মাত্রই ওই হাসপাতালেই কোয়ারেন্টাইন করা হয় চিকিৎসাধীন অন্যান্য রোগী, চিকিৎসক ও নার্সদের। সিল করে দেওয়া হয় নার্সিংহোম। বন্ধ করে দেওয়া হয় সংলগ্ন রাস্তা।
[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত উত্তর বারাকপুরের বৃদ্ধা, কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হল ছেলেকে]
এ বিষয়ে জয়নগর পুরসভার চেয়ারম্যান সুজিত সরখেল বলেন, “ওই নার্সিংহোমটিকে সিল করে পুরোপুরি জীবাণুমুক্ত করা হয়েছে। নার্সিংহোমের সামনের রাস্তাগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কাউকেই চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি এ বিষয়ে যাতে গুজব না ছড়ায় সেদিকেও পুলিশকে লক্ষ্য রাখতে বলা হয়েছে।” উল্লেখ্য, চিকিৎসা করতে আসা ওই করোনা আক্রান্ত রোগী আপাতত হার্ট ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন বলে জানা গিয়েছে।এ বিষয়ে হার্ট ক্লিনিক এর তরফে চিকিৎসক তরুণ মণ্ডল বলেন, “আমাদের হার্ট ক্লিনিকে করোনার জন্য আলাদা একটি ওয়ার্ড রয়েছে। সেখান থেকে ওই রোগীর চিকিৎসা হচ্ছে। যারা ঐ রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন, সকলের নমুনা পরীক্ষা করা হবে।” মথুরাপুরের বাপুলি বাজারে যে এলাকায় ও ব্যক্তির বাড়ি সেখানেও নজরদারি চালাচ্ছে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। পরিবারের সদস্যদের ঘর থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: লকডাউনে মিলছে না ত্রাণ, খিদের জ্বালায় থালা হাতে রাস্তায় বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন