Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
chocolate

হুগলির বাজারে রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে ‘ডক্টর চকোলেট’, ব্যাপারটা কী?

এই চকলেট চিন্তা বাড়িয়েছে অভিভাবকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২১, ২০:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২১, ২০:০৭

options
link
হুগলির বাজারে রমরমিয়ে বিক্রি হচ্ছে ‘ডক্টর চকোলেট’, ব্যাপারটা কী? zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: অবিকল ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ, পার্থক্য এই যে সুচটা নেই। আর সেই সিরিঞ্জে ভরা তরল চকোলেট! হ্যাঁ, ঠিক এমনই এক চকোলেট বিকোচ্ছে হুগলির (Hooghly) চুঁচুড়া, ব্যান্ডেল স্টেশন সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন দোকানে। চকোলেটের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডক্টর চকোলেট’। সিরিঞ্জে ভরা এই চকোলেট শিশুদের পক্ষে কতটা নিরাপদ? তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন হুগলির বাসিন্দারা।

চুঁচুড়া, ব্যান্ডেল-সহ জেলার বিভিন্ন স্টেশনারি দোকানে এই চকোলেট বিক্রি হচ্ছে রমরমিয়ে। একটি সিরিঞ্জ ভরা চকোলেটের দাম ধার্য করা হয়েছে ৫ টাকা। অন্যরকম দেখতে, ফলে খুদেদের নজর কেড়েছে। কচিকাঁচারা নিয়মিত তাদের বাবা-মায়েদের বিরক্ত করেছে, এই চকোলেটের জন্য। খানিকটা বাধ্য হয়েই ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের ওই চকোলেট কিনে দিচ্ছেন। তবে এই পদ্ধতিতে চকলেট খাওয়া নিয়ে আতঙ্ক তৈরি হয়ছে। কারণ, সিরিঞ্জের পিস্টনে জোরে চাপ দিলে ওই তরল চকোলেট শিশুর গলার সংবেদনশীল অংশে আটকে বিপদ হতে পারে। এদিকে চকোলেটটি খাওয়ার পর খালি সিরিঞ্জটি নিয়ে খেলছে শিশুরা। যা চিন্তা দ্বিগুণ করছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ৩০ টাকার লটারিই ফেরাল ভাগ্য, রাতারাতি কোটিপতি বালুরঘাটের রাজমিস্ত্রি!]

করোনা (Coronavirus) অতিমারী কালে সিরিঞ্জের ভিতরে তরল চকোলেট খোলা বাজারে বিক্রি হওয়ায় তা কতটা নিরাপদ তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বহু মানুষ। দেখা গিয়েছে, চকোলেট খাওয়ার পর ওই সিরিঞ্জের মুখে সূঁচ লাগানো যায়। ফলে ফেলে দেওয়া সিরিঞ্জ অসাধু ব্যবসায়ীরা রোগীকে ইঞ্জেকশন দেওয়ার জন্য ব্যবহার করতেই পারেন বলেই দাবি অনেকের।

চুঁচুড়ার শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ সত্যনারায়ন মিত্র জানান, অবিলম্বে সরকারের এই বিষয়টি নিয়ে গুরুত্ব সহকারে দেখা উচিত। কারণ, কারও জানা নেই এই সিরিঞ্জ একবার ব্যবহার হওয়ার পর তা কোনও দুষ্ট চক্রের হাত ধরে পুনরায় বাজারে ফিরে যাচ্ছে কি না। এই বিষয়ে হুগলি জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ রমা ভূঁইঞা জানান তিনি বিষয়টি শুনেছেন। ইতিমধ্যেই হুগলির খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের ১১ জন আধিকারিককে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বলেছেন। পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তরও বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

[আরও পড়ুন: মশারির মধ্যে মা ও ছেলের দেহ, পাশের ঘরে ঝুলছেন মামা! ব্যাপক চাঞ্চল্য মন্তেশ্বরে]

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.