জ্যোতি চক্রবর্তী, বসিরহাট: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিমানসেবিকার সঙ্গে সহবাস ও পরবর্তীতে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রেমিকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট মহকুমার হাড়োয়া থানার শালিপুর গ্রামে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) কাশিপুর থানার শ্যামনগরের বাসিন্দা বছর ২৯-এর ওই যুবকের নাম গিয়াসঊদ্দিন মোল্লা। বেশ কিছুদিন আগে হাড়োয়ার শালিপুরের বাসিন্দা এক তরুণীর সঙ্গে পরিচয় হয় তার। দমদম বিমানবন্দরে যাতায়াতের সুবাদেই দু’জনের পরিচয় গাঢ় হয়। প্রণয়ের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে তাঁরা। তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একাধিকবার তাঁর সঙ্গে সহবাস করে অভিযুক্ত। তরুণী রাজি না হওয়ায় একাধিকবার তাঁকে ধর্ষণও করে। যার জেরে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই বিমানসেবিকা তরুণী। অভিযোগ, সেই সময় প্রেমিকাকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করে গিয়াসউদ্দিন। এরপরই যুবক সাফ জানায় তার পক্ষে বিয়ে করা সম্ভব না।
[আরও পড়ুন: হাতছানি দিচ্ছে দার্জিলিং, করোনা আতঙ্ক কাটিয়ে সেপ্টেম্বরেই খুলছে পাহাড়ের সব পর্যটনকেন্দ্র]
জানা গিয়েছে, এরপরই হাড়োয়া থানায় যুবকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, ধর্ষণ ও ভয় দেখিয়ে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ দায়ের করেন ওই নির্যাতিতা। রবিবার রাতে কাশিপুর থানার শ্যামনগর গ্রাম থেকে অভিযুক্ত গিয়াসঊদ্দিন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে হাড়োয়া থানার পুলিশ। ধৃত যুবককে সোমবার বসিরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। নির্যাতিতা যুবতী ওই যুবকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ঐ তরুণীর শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। পাশাপাশি, বসিরহাট মহকুমা আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জবানবন্দিও দিয়েছেন নির্যাতিতা। তবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, ধর্ষণ ও গর্ভপাতের ঘটনা অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত। তার কথায়, “আমার কাছে মোটা অর্থ চেয়েছিল আমি দিতে না পারায় আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।”