রমণী বিশ্বাস, তেহট্ট: মানসিক ভারসাম্যহীন এক মহিলাকে ঘরে আটকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠল প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই অভিযুক্তকে বেধড়ক মারধর করে স্থানীয়রা। উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাকে উদ্ধার করে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার (Nadia) তেহট্টে।
জানা গিয়েছে, নদিয়ার তেহট্টের চিলাখালি গ্রামে ঘুরে বেড়াতেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই মহিলা। বৃহস্পতিবার সন্ধে থেকে তাঁকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না পরিবারের লোকজন। পরের দিন স্থানীয়রা দেখেন এলাকার পাঁচু দাসের বাড়ি বের হচ্ছেন ওই মহিলা। এরপরই স্থানীয়রা চেপে ধরে পাঁচুকে। জিজ্ঞেস করা হয়, তার ঘরে কী করছিল ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা। অভিযুক্ত যুবক এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। বেধড়ক মারধর করা হয় পাঁচুকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় তেহট্ট থানার পুলিশ। তাঁরা অভিযুক্তকে উদ্ধার চেষ্টা করলেও সক্ষম হননি। পরে তেহট্ট থানার আই সি তাপস পালের নেতৃত্বে আরও একটি পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তাঁরাই উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে।
[আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের স্বার্থে নয়া সিদ্ধান্ত রাজ্যের, এবার টেলিফোনেই ক্লাস করাবেন শিক্ষকরা]
সেখান থেকে অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়া হয় তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালে। এরপর ওই মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যদিও নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি অভিযুক্তের।