কৃষ্ণকুমার দাস: আমফানের (Amphan) তাণ্ডবে সপ্তাহ দুয়েক আগে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল গোটা রাজ্য। ধীরে ধীরে বিভিন্ন প্রান্তের পরিষেবা স্বাভাবিক হলেও এখনও অন্ধকারে ডুবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ এলাকা। রাতদিন কাজ করেও পরিষেবা স্বাভাবিক করতে পারছেন না বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে জয়নগরে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে এক ইঞ্জিনিয়ার-সহ বেশ কয়েকজন। বিদ্যুতের দাবিতে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে তাঁদের।
পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে আগে অবৈধভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার একটি গ্রামে বিদ্যুৎ নিয়ে এলেও তা খুবই বিপজ্জনক অবস্থায় ছিল। তাই দুর্ঘটনা রুখতে এক ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন কাজ শুরু করেছিলেন বিদ্যুৎদপ্তরের কর্মীরা। এই ঘটনাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাসিন্দাদের একাংশ। এক ইঞ্জিনিয়ার ও কর্মীদের উপর লাঠি,রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় তাঁরা। গুরুতর আহত হন বারুইপুর ডিভিশনের ইঞ্জিনিয়ার তন্ময় সাহা ছাড়াও বিদ্যুৎকর্মী কল্যাণ খামারু, জবীর হোসেন মণ্ডল এবং চালক সিরাজুল শেখ। ভাঙচুর করা হয় ওই বিদ্যুৎকর্তা এবং ঠিকাদারের দু’টি গাড়ি।
[আরও পডুন: রাজনৈতিক বচসায় আটক বিজেপি কর্মীরা, প্রতিবাদে রাতভর গাইঘাটা থানার সামনে অবস্থান ২ সাংসদের]
রাতেই খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ার সংগঠনের জোনাল সম্পাদক সাদিক ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। এসডিপিওর নেতৃত্বে বিশাল বাহিনীও যায় সেখানে। উদ্ধার করা হয় ইঞ্জিনিয়ার ও বিদ্যুৎকর্মীদের। আক্রমণের ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। যদিও মূল পান্ডা জিয়া ও রেজাকে এখনও পলাতক। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন ইঞ্জিনিয়াররা। তাঁদের কথায়, মূল অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার না হলে বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারের কাজ করবেন না তাঁরা।