Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
ক্ষোভ

ফেসবুকে বিক্ষোভ, টিকিট না পেয়ে জবাবদিহি চাইলেন বর্ধমানের বিজেপি নেতা

২০১৪এ প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছিলেন সন্তোষ রায়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০১৯, ১০:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৪, ২০১৯, ১০:৫৮

options
link
ফেসবুকে বিক্ষোভ, টিকিট না পেয়ে জবাবদিহি চাইলেন বর্ধমানের বিজেপি নেতা zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: একমাসেরও কম সময় হাতে রেখে লোকসভা ভোটের প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করেছে বিজেপি৷ তারপরও রাজ্যের ঘোষিত ২৮টি আসনের প্রার্থী নিয়ে দিকে দিকে অসন্তোষ আরেক বিড়ম্বনা তৈরি করেছে গেরুয়া শিবিরে৷ পছন্দের প্রার্থী না পাওয়ায় দিকে দিকে বিক্ষোভ দেখিয়েছে স্থানীয় নেতৃত্ব৷ এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ক্ষোভ আছড়ে পড়ল৷ টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে ফেসবুকে একাধিক সমালোচনা করলেন বর্ধমান-পূর্বের দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা সন্তোষ রায়৷

[আরও পড়ুন: প্রচারমঞ্চে মায়ের ছবি উপহার পেয়ে আবেগতাড়িত মুনমুন সেন]

২০১৪-র লোকসভা ভোটে বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী ছিলেন সন্তোষ রায়। সেবার প্রায় ১ লক্ষ ৭১ হাজার ভোট পেয়েছিলেন তিনি। কিছুদিন আগে বর্ধমান পূর্বের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ দাবি করেছিলেন, বুথভিত্তিক সমীক্ষা দেখা গিয়েছে এই কেন্দ্রে দলের লক্ষাধিক ভোটে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে দলীয় প্রার্থীর। দল এবারও সন্তোষবাবুকে প্রার্থী করবে, এমনটাই আশা করা হয়েছিল৷ সন্তোষবাবু বর্তমানে বর্ধমান পূর্ব ও বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের সংযোগকারী পদে রয়েছেন। তাই তাঁকে প্রার্থী করতে চেয়ে স্থানীয় নেতৃত্ব বিজেপির সর্বভারতীয় নির্বাচক কমিশনে আবেদনও জানিয়েছিল৷ কিন্তু বৃহস্পতিবার প্রার্থী ঘোষণার পর দেখা যায়, বাদ পড়েছেন সন্তোষ রায়৷ এই কেন্দ্রে বিজেপি-র হয়ে লড়ছেন পরেশচন্দ্র দাস৷ 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

 

[আরও পড়ুন: কীর্তনের আসরে ‘প্রেম বিলিয়ে’ জনসংযোগ বাবুলের]

এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায় ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে জবাবদিহি চেয়েছেন৷ নিজের যাবতীয় কাজের খতিয়ান তুলে ধরে সরাসরি জানতে চেয়েছেন কেন তাঁকে প্রার্থী করা হল না৷ সেইসঙ্গে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, এর পরিণতি ভুগতে হবে পার্টিকে৷ সন্তোষবাবু পোস্টে লিখেছেন, “২৯ বছর ধরে পার্টির বহু দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত ৫ বছর (২০১৪ থেকে) ধরে মোদিজির নির্দেশে, লাগাতার এই লোকসভা কেন্দ্রের শ্রীবৃদ্ধিতে লেগে রয়েছি, নিজ খরচায়৷  মান্যবর রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ,  মুকুল রায় এবং কৈলাশ বিজয়বর্গীয়জির কাছে আমার জিজ্ঞাসা, আজ আমি আপনাদের নজরে অযোগ্য হলাম কেন? আমি অর্থহীন, গরিব পার্টি কর্মী বলে? কারণ, আমাকে হাজারও কর্মী,সমর্থক,সাধারণ মানুষ প্রশ্ন করছেন৷ তাঁদেরকে জবাব দিতে হবে। এর জবাব গোপনে চাই না বলেই ফেসবুকে প্রকাশ্যে চাইলাম।” তিনি আরও লেখেন, “এর পরিণতি ভুগতে হবে পার্টিকে৷ পার্টি কর্মীদের অবমূল্যায়ন শুরু হয়ে গেছে৷ হায়ার করে, নেতার মনপসন্দ ব্যক্তিকে ঘাড়ে চাপাচ্ছে৷ এসব চাটুকারিতার জ্বলন্ত রুপ৷ এতে না কর্মী খুশ, না জনতা খুশ৷ সাজানো সংসারে আগুন ধরানো হল৷ বিপক্ষকে ওয়াকওভার দিয়ে দেওয়া হল৷”

BJP-FB khov

বিজেপি সূত্রের খবর, দল এবার যাঁকে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে, তিনি রাজ্যের কোনও নেতার পছন্দের নন৷ সরাসরি সংঘের সঙ্গে যুক্ত, দিল্লির নেতাদের ঘনিষ্ঠ। এবিষয়ে প্রার্থী পরেশচন্দ্র দাসের প্রতিক্রিয়া নেওয়ার চেষ্টা হলেও, তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি৷ যদিও স্থানীয় সাংগঠনিক সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের আশা, নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে সবাই একসঙ্গে দলীয় প্রার্থীকে জেতাতে ঝাঁপাবেন। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.