সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ভোটের মুখে গ্রেপ্তার এলাকার দুই বিজেপি নেতা। ঘটনায় তুমুল উত্তেজনা ছড়াল দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলায়। থানায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন স্থানীয় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁদের অভিযোগ, কোনও কারণ ছাড়াই রাতে ওই দুই বিজেপি নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। তৃণমূলকে জেতানোর জন্য তাঁদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।
[আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী হিংসার জের, বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে]
আগামী রবিবার সপ্তম ও শেষ দফায় লোকসভা ভোটে কলকাতা ও দুই ২৪ পরগনায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক উমেশ দাস আর সহ-পর্যবেক্ষক জয়দেব দত্ত। বৃহস্পতিবার রাতে মহেশতলা ও বজবজ থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে দু’জনকেই গ্রেপ্তার করে নিয়ে গিয়েছে বাঁকুড়া থানার পুলিশ। কিন্তু, ওই দুই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে কে অভিযোগ করেছেন? কেনই বা তাঁদের গ্রেপ্তার করা হল? তা নিয়ে পুলিশের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। শোনা যাচ্ছে, রাতে উমেশ দাস ও জয়দেব দত্তকে গ্রেপ্তার করে প্রথমে মহেশতলা থানা নিয়ে যায় পুলিশ। তারপর নির্দিষ্ট কয়েকটি ধারায় মামলা রুজু করে তাঁদের নিয়ে চলে গিয়েছে বাঁকুড়া থানার পুলিশ।
শুক্রবার সকালে ঘটনাটি জানাজানি হতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মহেশতলায়। দলের দুই নেতাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে মহেশতলা থানায় অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন বিজেপি স্থানীয় কর্মী-সমর্থকরা। শেষ খবর অনুযায়ী, এখনও অবস্থান বিক্ষোভ চলছে। বিজেপির দক্ষিণ ২৪ পরগনা (পশ্চিম) জেলা সহ-সভাপতি সুডোল ঘাঁটুর অভিযোগ, লোকসভা ভোটে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেতাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে পুলিশ। তাই বেছে বেছে বিজেপি নেতাদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। আর জেলার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শক্তি মণ্ডলের বক্তব্য, পুলিশ যখন গ্রেপ্তার করেছে, তখনই নিশ্চয়ই কোনও কারণ আছে। পুলিশ পুলিশের কাজই করেছে। হতাশ হয়েই তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলছেন বিজেপি নেতারা।