আকাশনীল ভট্টাচার্য, বারাকপুর: তৃণমূল কাউন্সিলরের নেতৃত্বে বিজেপি নেতার দোকানে ভাঙচুরের অভিযোগ। ধুন্ধুমার নৈহাটিতে। প্রতিবাদে গভীর রাত পর্যন্ত থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এদিকে থানায় যখন বিক্ষোভ চলছে, তখন শহরের রামকৃষ্ণ মোড়ে গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
[ আরও পড়ুন: পা হড়কে বাবুলের গাড়ির নিচে বিজেপি কর্মী, ভেঙে দু’ টুকরো পা]
ঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাত দশটা নাগাদ। নৈহাটির পাওয়ার হাউস মোড়ে দোকান চালান বিজেপির নৈহাটি ২ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি সুব্রত দাস। অভিযোগ, রবিবার রাতে তাঁর দোকানে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালান একদল তৃণমূল সমর্থক। হামলার নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর সুপ্রবীর দাস। ওই বিজেপি নেতা যখন দোকানে ভাঙচুরের প্রতিবাদ করেন, তখন তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাটি জানাজানি হতেই তেতে ওঠে এলাকা। নৈহাটির পাওয়া হাউস মোড়ে যান বারাকপুর সাংগঠনিক জেলার সভানেত্রী ফাল্গুনী দত্ত, সহ-সভাপতি ও নির্বাচনী আহ্বায়ক রবিশংকর সিং, সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম দে-সহ বিজেপির স্থানীয় নেতারা। দলের বারাকপুর সাংগঠনিক জেলা সভানেত্রী ফাল্গুনী দত্তের দাবি, তাঁর গাড়ির কাচও ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এমনকী, রেহাই পাননি দলের সহ-সভাপতি ও নির্বাচনী আহ্বায়কও। এদিকে যাঁর দোকানে ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ, সেই সুব্রত দাসকে ভরতি করা হয় নৈহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে।
দলের নেতার দোকানে ভাঙচুরের অভিযোগে রাতে নৈহাটি থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভ চলে গভীর রাত পর্যন্ত। এদিকে রাতে যখন বিক্ষোভে শামিল হতে বিজেপির আরও কর্মী-সমর্থক থানায় যাচ্ছিলেন, তখন রামকৃষ্ণ মোড়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের রীতিমতো বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন, সকলেই ভরতি হাসপাতালে।