জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে সামাজিক দূরত্ব মানেননি, অভিযোগ উঠল শান্তনু ঠাকুরের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে তাঁকে পুলিশ হেনস্তা করে বলেও অভিযোগ। দীর্ঘ সময় এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় তাঁর। রবিবার বিকালে ঘটনাটি ঘটে গাইঘটা থানার চাঁদপাড়া দেবীপুর এলাকায়। যদিও সামাজিক দূরত্ব না মানার বিষয়টি মানতে নারাজ সাংসদ।
প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বনগাঁ লোকসভার বিস্তীর্ণ এলাকা। শান্তনু ঠাকুর রবিবার বিকেলে বাইকে চেপে গাইঘাটা দেবীপুর এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। এছাড়াও ছিলেন বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থক। তাঁরা সকলেই সামাজিক দূরত্ব মেনে গিয়েছিলেন। কয়েকটি পরিবারের সঙ্গে দেখা করে ঠাকুরনগরের বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি।
[আরও পড়ুন: করোনা পরীক্ষা ছাড়াই মুক্ত কোয়ারেন্টাইনে থাকা শ্রমিকরা, বাড়ছে সংক্রমণের আশঙ্কা]
তবে পুলিশের দূরত্ব মানছেন না সংসদ অভিযোগে তাকে রাস্তায় আটকে দেয় বনগাঁর এসডিপিও ও গাইঘাটা থানার ওসি-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। সে সময় এসডিপিও’র সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু হয় সাংসদের। শান্তনু ঠাকুর বলেন, “আমি একজন সাংসদ। শারীরিক দূরত্ব মেনে আমার এলাকার দুর্গত মানুষেদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম৷ পুলিশ বাধা তৈরি করে আমাকে হেনস্তা করল৷ যে পুলিশ আমাকে আটকে আসে, তারাও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখেনি।”
দেখুন ভিডিও: