ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: নির্বাচনের দিন যত এদিয়ে আসছে ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে বীরভূম। এবার ইলামবাজারে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী মারধর করা হয়েছে বিজেপির কর্মীদেরও। ঘটনাটি জানিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন:হলদিয়া বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঘটনাস্থলে দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন
নির্বাচনের উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করতে দফায় দফায় মিটিং-মিছিল-সভা করছে রাজনৈতিক দলগুলি। শনিবার সকালেও বীরভূমের ইলামবাজারে মহামিছিলের আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গিয়েছে, এদিন মিছিলটি এলাকার একটি বিজেপি কার্যালয়ের সামনে থেকে যাচ্ছিল। অভিযোগ, সেই সময় হঠাৎই মিছিল থেকে বেরিয়ে বিজেপির কার্যালয়ে চড়াও হন তৃণমূলের বেশ কয়েকজন কর্মী। কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এমনকী সেই সময় কার্যালয়ে যে কর্মীরা ছিলেন তাঁদেরও বেধড়ক মারধর করে অভিযুক্তরা। এরপর, আবার মিছিলে ফিরে যায় তৃণমূল কর্মীরা।
আরও পড়ুন: পারিবারিক অশান্তির জেরে আত্মহত্যা! মহিলার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য হিন্দমোটরে
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ঘটনায় নিন্দায় সরব হন স্থানীয়রা। এ প্রসঙ্গে বীরভূমের বিজেপির জেলা-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, “তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। সেই কারণে পরিকল্পনা মাফিক ভোটের আগে সন্ত্রাস ছড়াতেই বিজেপির উপর আক্রমণ চালাচ্ছে তাঁরা। তবে এভাবে আমাদের দমিয়ে রাখা যাবে না। বিজেপি জয় পাবেই ।” এর পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, এদিনের আক্রমণের ঘটনাটি স্থানীয় পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে। যদিও বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে ইলামবাজার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জাফারুল ইসলাম বলেন, “বিজেপির অভিযোগ ভিত্তিহীন। কারা আক্রমণ চালিয়েছে আমরা জানি না।” উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই পাড়ুইয়ের কেশবপুর ও নানুরে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে।