শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: ফের যৌন লালসার শিকার বৃদ্ধা। আশি বছরের এক বৃদ্ধাকে ধর্ষণের পর খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল শিলিগুড়ির সমরনগর এলাকার শিমুলগুড়িতে। মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন ওই বৃদ্ধা। বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে উদ্ধার হয় তাঁর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য নির্যাতিতাকে খুন করা হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে প্রধাননগর থানার পুলিশ।
[আরও পড়ুন: ‘নির্ভয়ে ভোট দিন’, বার্তা দিচ্ছে ম্যাসকট ভোটেশ্বর]
শিলিগুড়ির সমরনগরের শিমুলগুড়ির বাসিন্দা ওই আদিবাসী বৃদ্ধা। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই খাওয়া দাওয়া করেন ওই তিনি। এরপর রাতের দিকে পঞ্চাশ টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন বৃদ্ধা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও বাড়ি ফেরেননি তিনি। এরপর বৃদ্ধার সন্ধানে এলাকায় খোঁজ খবর শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। পরদিন অর্থাৎ বুধবার সকালে বাড়ি থেকে বেশ কিছুটা দূরে ওই বৃদ্ধার নগ্ন দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় প্রধাননগর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রক্তাক্ত দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়েছে।
[আরও পড়ুন: রাস্তার পাশের দোকান থেকে সিঙাড়া কিনে কটাক্ষের মুখে নুসরত]
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য মাথা থেঁতলে খুন করা হয়েছে ওই বৃদ্ধাকে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সন্ধান পেতে ইতিমধ্যেই স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ আধিকারিকেরা। কিন্তু, এ কোন পথে এগোচ্ছে এ সমাজ? একের পর এক প্রকাশ্যে আসছে কাঠুয়া, উন্নাও, আসিফাকাণ্ডের মতো ঘটনা। একই ঘটনা ঘটছে এরাজ্যেও। ধর্ষণের ঘটনা রুখতে নয়া আইন চালু করার পরও কোনও হেলদোল নেই অপরাধীদের। সদ্যোজাত থেকে বৃদ্ধা, বিকৃত যৌনলালসার শিকার হতে হচ্ছে সকলকেই। কীভাবে পালটাবে পরিস্থিতি? তা নিয়ে চিন্তায় সমাজবিদরা।