Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Canning

ফোন ধরছে না কেন? নাবালিকার মুখে কাপড় গুঁজে নৃশংস অত্যাচার! কাঠগড়ায় প্রেমিক

অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৮:১৩

options
link
ফোন ধরছে না কেন? নাবালিকার মুখে কাপড় গুঁজে নৃশংস অত্যাচার! কাঠগড়ায় প্রেমিক zoom
প্রতীকী ছবি

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: যুবকের সঙ্গে ফোনে কথা বলত এক নাবালিকা। প্রেমের সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। তবে ইদানীং ওই নাবালিকা ফোনে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল। সেই ‘আক্রোশে’ তাঁকে নৃশংসভাবে মারধর করা হল। কানের মধ্যে গুঁজে দেওয়া হল কাঠি। রাস্তায় ফেলে বুকে লাথিও মারা হয়। ওই যুবক ও তাঁর পরিবারের লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে খবর। ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার খাসকুমড়োখালির যুগিয়ারচক গ্রামে। ওই নাবালিকার পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার নাগেরতলা গ্রামে বাস বছর ১৭-এর ওই নাবালিকার। তালদি এলাকার যুবক সাজিদুল লস্করের সঙ্গে সে ফোনে আগে কথা বলত। দুজনের মধ্যে প্রেমও হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু ইদানীং আর সাজিদুলের সঙ্গে সে যোগাযোগ রাখছিল না। যুবক তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখার জন্য চাপও দিয়েছিল বলে অভিযোগ। ক্যানিং থানার খাসকুমড়োখালির যুগিয়ারচক গ্রামে ওই নাবালিকার দিদির শ্বশুরবাড়ি। সেখানেই সে রবিবার গিয়েছিল।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই কথা কোনওভাবে জানতে পারে ওই যুবক। রবিবার রাতে নাবালিকাকে ফোন করে একটি বার আসার জন্য অনুরোধ করেছিলেন ওই যুবক। বাধ্য হয়ে রাতে যুগিয়ারচক গ্রামে সে যায়। কেন যোগাযোগ বন্ধ করা হয়েছে? সেই কথা তুলেই শুরু হয় মারধর। সাজিদুল ও তার বাবা সাফুদ্দিন ও মা ছাপিয়া লস্করা মিলে নাবালিকাকে বেধড়ক মারধর করে। শুধু তাই নয়, তার কানে কাঠি দিয়ে গোঁজা দেওয়া হয়। চিৎকার যাতে না করতে পারে, সেজন্য মুখে কাপড়ও গুঁজে দেওয়া হয়। তাকে তুলে একাধিকবার দেওয়ালে সজোরে মাথা ঠুকে দেওয়া হয়। মাটিতে ফেলে বুকেও লাথি মারে অভিযুক্তরা।

নাবালিকাকে রাস্তার পাশে ফেলে রেখেই তারা সেখান থেকে চলে যায়। ঘটনা জানতে পেরে প্রতিবেশীরা ওই নাবালিকার বাড়িতে খবর দেয়। নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে। চিকিৎসার জন্য ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় সেখানেই এখন চিকিৎসাধীন ওই নাবালিক। ঘটনায় এলাকার বাসিন্দারা রীতিমতো ক্ষুব্ধ। অভিযুক্ত পরিবারের কঠোর শাস্তির দাবি তোলা হয়েছে। ওই নাবালিকার পরিবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা পলাতক। পুলিশ তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.