Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

টানা ৩০ ঘণ্টা পর নবান্ন ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

সেনাকে যেভাবে রাজনৈতিক স্বার্থপূরণে ব্যবহার করা হচ্ছে তা দুর্ভাগ্যজনক বলেই ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৯, ২০১৯, ১২:৩৪

options
link
টানা ৩০ ঘণ্টা পর নবান্ন ছাড়লেন মুখ্যমন্ত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পণ করেছিলেন রাজ্য থেকে সেনা না উঠলে নবান্ন ছাড়বেন না।  প্রায় ৩০ ঘণ্টা নিজের সচিবালয়েই তাই কাটিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে কেন্দ্রকে ফের একহাত নিয়ে বললেন, এমন দাম্ভিকতা আমি আগে কখনও দেখেনি।

শহরের টোলপ্লাজা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সেনা মোতায়েন নিয়ে গতকাল থেকেই সরব মমতা। অবিলম্বে সেনা প্রত্যাহারের দাবি তোলেন তিনি। রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে কেন সেনা নামানো হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেনার তরফে অবশ্য জানানো হয়েছিল এ ব্যাপারে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ ফের তা উড়িয়ে দেন মমতা। জানান, শুধু নবান্নর কাছে সেনা মোতায়েন নিয়ে কথা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাতে আপত্তি জানায়। তা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপ করে কেন্দ্র।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই ইস্যুতেই ফের কেন্দ্র সরকারকে এক হাত নেন তিনি। জানান, আজই টাকা তুলতে গিয়ে দুই রাজ্যবাসীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, আর কত মৃত্যু চান মোদি। এ নিয়ে টুইটেও সরব হন মমতা। একের পর এক টুইট করে জানান, চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন সাধারণ মানুষ। এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই কথা জানান তিনি। বলেন, বিড়ি মজদুর থেকে চা বাগানের শ্রমিকরা ঘোর বিপাকে পড়েছেন।

সেনা নামানো নিয়ে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মমতা। জানান, তিনি নিজেও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ছিলেন দীর্ঘদিন। কিন্তু এমন দিশাহীন দাম্ভিকতা কখনও দেখেননি। এভাবে সেনা মোতায়েন করা যায় না বলেও দাবি তাঁর। তবে কেন্দ্র সরকার যদি গা জোয়ারি করে তবে রাজ্যও যে আইনের পথে হাঁটবে, সে ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন মমতা। সেনার প্রতি আস্থা রেখে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “সেনাকে আমরা সম্মান করি। সেনারা যেমন দেশরক্ষা করেন তেমনই রাজ্যের প্রয়োজনেও পাশে দাঁড়ান। কিন্তু সেনাকে যেভাবে রাজনৈতিক স্বার্থপূরণে ব্যবহার করা হচ্ছে তা দুর্ভাগ্যজনক।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.