শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: মহিলাদের বন্দিদের লকআপে গুটিসুটি মেরে বসে আছে প্রায় ছয় ফুট লম্বা একটি সাপ! সাতসকালে হুলস্থুল কাণ্ড জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি থানায়। শেষপর্যন্ত, সাপটিকে উদ্ধার করে জঙ্গলে ছেড়ে দেন পরিবেশকর্মীরা। সাপ উদ্ধারে হাত লাগান থানার আইসি-সহ অন্য পুলিশকর্মীরাও।
[জেলাশাসকের দপ্তরে আগুন আতঙ্ক, চাঞ্চল্য বর্ধমানে]
পাহাড়-জঙ্গলে ঘেরা উত্তরবঙ্গ। জঙ্গলে বন্যজন্তুর অভাব নেই। সাপের তো বটেই, হামেশাই হাতি, চিতাবাঘের মতো পশুও ঢুকে পড়ে লোকালয়ে। জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি থানা থেকে সোনাখালির জঙ্গলও খুব বেশি দূরে নয়। থানার চারিদিকেও ইতিউতি জঙ্গল। দিন কয়েক আগে ধূপগুড়ি ব্লকে সাপের কামড়ে একজন মারাও গিয়েছেন। কিন্তু, থানায় কস্মিনকালেও সাপ ঢোকেনি। তাই বুধবার মহিলার বন্দিদের লকআপে সাপ দেখে আঁতকে ওঠেন ধূপগুড়ি থানার পুলিশকর্মীরা। জানা গিয়েছে, সকাল ১১টা নাগাদ থানায় বসে কাজ করার সময়ে সাপের হিসহিস শব্দ শুনতে পান ডিউটি অফিসার। বিস্তর খোঁজাখুঁজির পর দেখা যায়, মহিলা বন্দিদের লকআপের এককোণে গুটিসুটি মেরে আছে প্রায় ছ’ফুট লম্বা একটি দাঁড়াস সাপ। ওই লকআপে অবশ্য তখন কোনও বন্দি ছিল না। সাপটিকে উদ্ধার করার জন্য স্থায়ী পরিবেশপ্রেমীদের খবর দেন ধূপগুড়ি থানার আধিকারিকরা। প্রায় ঘণ্টা দেড়েক চেষ্টার পর সাপটিকে উদ্ধার করেন পরিবেশকর্মীরা। সেটিকে ছেড়ে দেওয়া হয় জঙ্গলে। সাপ উদ্ধারে হাত লাগান ধুপগুড়ি থানার আইসি সঞ্চয় দত্ত-সহ অন্যন্য পুলিশকর্মীরাও। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দাঁড়াস সাপ বিষধর নয়। সচরাচর মানুষের ক্ষতিও করে না। তবে বিশালাকার সাপটি দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পুলিশকর্মীরা।
[সকাল থেকে সমুদ্রে প্রবল জলোচ্ছ্বাস, দিঘায় পর্যটকদের ঢল]