রঞ্জন মহাপাত্র, দিঘা: বন্ধুদের সঙ্গে দিঘায় ঘুরতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন এক তরুণ। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে তাঁর দেহের খোঁজ চালানো হচ্ছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও তাঁর কোনও হদিশ পাননি নুলিয়ারা।
শুক্রবারই বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা ঘুরতে গিয়েছিল বছর আঠেরোর মহম্মদ কোয়াইস। কলকাতার কামারহাটির ভগবান মণ্ডল স্ট্রিটের বাসিন্দা তিনি। নিউ দিঘার একটি হোটেলে ওঠেন তাঁরা। সেখান থেকেই স্নান করতে সমুদ্র সৈকতে পৌঁছান। আর তখনই ঘটে বিপত্তি। সমুদ্রের বিশাল ঢেউ টেনে নিয়ে যায় কোয়াইসকে। তারপর থেকেই শুরু হয় তল্লাশি। কিন্তু দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টা খোঁজ চালিয়েও নুলিয়ারা কোয়াইসকে খুঁজে পাননি। তবে তাঁর হদিশ না পাওয়া পর্যন্ত এখনও যে তিনি মৃত তা বলা যাবে না।
[আরও পড়ুন: কৃষক স্বার্থ বিঘ্নিত করে প্রকল্প নয়, গজলডোবার বিক্ষোভকারীদের আশ্বাস গৌতম দেবের]
এদিকে, বন্ধুরাই কোয়াইসের পরিবারকে খবর দেন। তাঁদের দাবি, প্রত্যেকেই ওই তরুণকে সমুদ্রে নামতে বারণ করেছিলেন। কিন্তু তাঁদের কথায় কান দেননি কোয়াইস। সব নিষেধ মেনেই নীল সাগরের টানে এগিয়ে যান অনেকখানি। আর তাতেই তলিয়ে যান তিনি। ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই উদ্বিগ্ন তাঁর পরিবার।
দিঘায় সমুদ্র স্নান করতে প্রশাসনের তরফ থেকে বারবারই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। কিন্তু অনেক সময়ই সতর্কতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিপদ ডেকে আনেন পর্যটকরা। এক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটল। কলকাতার তরুণ তলিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সমুদ্র সৈকতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আতঙ্ক ছড়িয়েছে অন্যান্য পর্যটকদের মধ্যেও। উল্লেখ্য, গত মাসেই দিঘার সমুদ্রে তলিয়ে গিয়েছিলেন এক পর্যটক৷ পুলিশের নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে মদ্যপ অবস্থায় উত্তাল সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে যান উত্তর ২৪ পরগনার নিউ বারাকপুর এলাকার বাসিন্দা। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচে তাঁর শিশুকন্যা।