Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Dilip Ghosh

প্রথমে লাঠি, পরে গদা, এবার দা হাতে দিলীপ, বললেন, ‘একসঙ্গে অনেক কাজ হয়ে যাবে’

রামনবমীর মিছিলে ওই দা হাতেই কি দিলীপ ঘোষকে দেখা যাবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৫, ১৫:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৫, ২০২৫, ১৫:৪৩

options
link
প্রথমে লাঠি, পরে গদা, এবার দা হাতে দিলীপ, বললেন, ‘একসঙ্গে অনেক কাজ হয়ে যাবে’ zoom
মেলা থেকে দা কিনলেন দিলীপ ঘোষ। ছবি: জয়ন্ত দাস

ধীমান রায়, কাটোয়া: কখনও হাতে লাঠি, কখনও আবার গদা। এবার দা হাতে মেলায় ঘুরলেন। বুঝিয়ে দিলেন, যতই বিতর্ক হোক না কেন, নিজের মেজাজেই আছেন দিলীপ ঘোষ!

অগ্রদ্বীপের ঐতিহ্যবাহী গোপীনাথ মেলায় এসে পুজো দেওয়ার পর মেলা থেকে একটি ধারালো দা কিনে ফিরলেন বিজেপি নেতা। দা হাতেই মেলায় কিছুক্ষণ ঘুরতে দেখা গেল। সাংবাদিকরা যখন তাঁর কাছে দা কেনার কারণ জানতে চাইলেন, তখন দিলীপ ঘোষ বেশি কিছু বলতে চাইলেন না। শুধু বলেন,”দা-এর অনেক কাজ আছে। এক দা-এ অনেক কাজ হয়ে যাবে।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মঙ্গলবার মেলার প্রথমদিনে অগ্রদ্বীপে আসেন দিলীপ। তিনি দুপুর নাগাদ অগ্রদ্বীপে এসে প্রথম ওঠেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কৃষ্ণ ঘোষের বাড়িতে। সেখান থেকে হাঁটতে হাঁটতে গোপীনাথ মন্দিরে এসে পুজো দেন। মেলায় দলীয় শিবিরে কিছুক্ষণ বসে কর্মীদের সঙ্গে জনসংযোগ করেন। তারপর ফের কৃষ্ণ ঘোষের বাড়ির দিকে ফিরে যান। যাওয়ার সময় মেলার একটি দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন। ওই দোকানে লোহার বঁটি,হাতা,খুন্তি,শাঁড়াশি, দা, কুড়ুল ইত্যাদি গৃহস্থালি জিনিসপত্র বিক্রি হচ্ছে। দোকানের সামনে দাঁড়িয়েই ধারালো দা এর দিকে নজর যায় দিলীপ ঘোষের। বাছাই করে একটি দা পছন্দ করেন। পছন্দের দা টি কেনেন ১৫০ টাকা দিয়ে।

উল্লেখ্য, আসছে রামনবমী। রামনবমীর মিছিলে ওই দা হাতেই কি দিলীপ ঘোষকে দেখা যাবে? এই প্রশ্নই অনেকেই মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল তাঁর দা কেনা দেখে। তবে দিলীপ ঘোষ এনিয়ে কিছু ব্যাখ্যা করেননি। তিনি শুধু বলেন, “এক দা-এ সব কাজ হয়ে যাবে।”

ভাগীরথীর তীরে অগ্রদ্বীপে গোপীনাথের প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শ্রীচৈতন্যদেবের পার্ষদ গোবিন্দ ঘোষ। জনশ্রুতি মহাপ্রভূ নীলাচলে যাত্রার সময় আরও কয়েকজন শিষ্যের সঙ্গে ছিলেন গোবিন্দ ঘোষ। ভাগীরথীর তীরে মহাপ্রভূ বিশ্রাম নিয়েছিলেন। তারপর সকলেই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেও মহাপ্রভূর নির্দেশে অগ্রদ্বীপে থেকে যান গোবিন্দ ঘোষ। জনশ্রুতি স্বপ্নাদেশ পেয়ে তিনি গোপীনাথদেবের মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সংসারী হয়েও অকালে তাঁর স্ত্রী ও শিশুসন্তান মারা যায়। তারপর থেকে আরাধ্য গোপীনাথকেই সন্তান রূপে দেখতেন গোবিন্দ ঘোষ জনশ্রুতি আছে জীবদ্দশাতেই ভক্ত গোবিন্দকে স্বয়ং ভগবান কথা দিয়েছিলেন তার মৃত্যুর পর গোপীনাথই যাবতীয় পারলৌকিক কাজ করবেন। সেই থেকে প্রতিবছর চৈত্র একাদশী তিথিতে গোবিন্দ ঘোষের প্রয়াণ দিবসে গোপীনাথকে কাঁচা পড়ানো হয়। তারপর গোবিন্দ ঘোষের সমাধিক্ষেত্রে নিয়ে এসে পিণ্ডদান-সহ যাবতীয় পারলৌকিক কাজকর্ম করানো হয়। গোপীনাথ মন্দিরের পাশেই গোবিন্দ ঘোষের সমাধিস্থল। গোবিন্দ ঘোষের শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ঘিরেই প্রতিবছর মেলা বসে অগ্রদ্বীপে। এই মেলা চলে তিন-চারদিন ধরে। লক্ষাধিক পুণ্যার্থীর সমাগম হয়।

 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.