Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
DVC

ঝাড়খণ্ডের চাপ! বৃষ্টি বাড়তেই হু হু করে জল ছাড়ছে ডিভিসি, নজর রাজ্যের

৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ১৫:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৮, ২০২৫, ১৫:০৪

options
link
ঝাড়খণ্ডের চাপ! বৃষ্টি বাড়তেই হু হু করে জল ছাড়ছে ডিভিসি, নজর রাজ্যের zoom
জল ছাড়ছে ডিভিসি। নিজস্ব চিত্র

শেখর চন্দ্র, আসানসোল: মৌসুমী অক্ষরেখা এবং নিম্নচাপের জোড়াফলা বঙ্গে। তার জেরে রাজ্যে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। গত দু’দিন ধরে দামোদর উপত্যকায় বিক্ষিপ্তভাবে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। তার জেরে জল ছাড়তে শুরু করল দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (ডিভিসি)। মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মোট ৩৫ হাজার কিউসেক জল ছাড়া শুরু হল বলে খবর। জল ছাড়ার খবরে দুশ্চিন্তা বেড়েছে নিম্ন দামোদর উপত্যকার বাসিন্দাদের। আগামী দিনে আরও বৃষ্টি হলে কত পরিমাণ জল ছাড়া হবে? সেই প্রশ্নও উঠেছে।

গত দু’দিন ধরে দামোদম উপত্যকা অঞ্চলে বৃষ্টি চলছে। বিহার ও ঝাড়খণ্ডেও বৃষ্টি হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের তেনুঘাট ও তিলিয়া বাঁধ থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছে। সেই জল এসে জমা হচ্ছে মাইথন ও পাঞ্চেতে। ফলে এই দুই বাঁধেও জলের পরিমাণ বাড়ছে। সে কারণেই এই দুই বাঁধ থেকে জল ছাড়া শুরু হয়েছে বলে দাবি করেছে ডিভিসি কর্তৃপক্ষ। বরাকর উপত্যকায় মঙ্গলবার রাতে বৃষ্টি হয়েছে ২০ মিলিমিটার। আজ বুধবারও বৃষ্টি চলছে পূর্ব বর্ধমানের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। আজ ও আগামিকাল ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কতার কথাও জানানো হয়েছে দক্ষিণবঙ্গে। বৃষ্টি বাড়লে পরিস্থিতি কী হতে পারে? সেই চর্চা শুরু হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ফি বছর ডিভিসির ছাড়া জলে নিম্ন দামোদর উপত্যকায় বন্যা দেখা যায় বলে অভিযোগ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বহুবার অভিযোগ করেছেন, রাজ্যকে না জানিয়ে ডিভিসি জল ছেড়ে দেয়। পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলির বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়। ঘাটালেও বন্যা হয়। গতবারও সেই ভয়াল ছবি দেখা গিয়েছে। বিস্তীর্ণ এলাকার চাষের জমি, পুকুর, বাড়ি জলের তলায় চলে যায়। সব কিছু হারিয়ে বন্যা দুর্গতদের দিনের পর দিন ত্রাণশিবিরে থাকতে হয় বলে অভিযোগ। প্রচুর টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। কেন্দ্রীয় সরকার কেন পলি তুলে জলাধার সংস্কার করছে না? সেই প্রশ্নও মুখ্যমন্ত্রী একাধিক বার তুলেছেন। রাজ্যকে না জানিয়ে জল ছাড়ার অভিযোগ ডিভিসি প্রথম দিকে মানতে চায়নি। যদিও পরে ডিভিসি জানায়, এরপর থেকে রাজ্যকে জানিয়েও জল ছাড়া হবে।

বর্ষার প্রথমেই ডিভিসি জল ছাড়তে শুরু করেছে। আর কত জল ছাড়া হবে? প্রচুর পরিমাণ জল ছাড়লে পরিস্থিতি কী হবে? সেই আশঙ্কা থাকছে। প্রশাসনও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে বলে খবর।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.