Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Sundarban

ঘূর্ণিঝড় মন্থার কতটা প্রভাব পড়বে? সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় প্রস্তুত ফ্লাড সেন্টার, মজুত ত্রাণ

আগেভাগেই সতর্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৯:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২৫, ১৯:২০

options
link
ঘূর্ণিঝড় মন্থার কতটা প্রভাব পড়বে? সুন্দরবনের উপকূল এলাকায় প্রস্তুত ফ্লাড সেন্টার, মজুত ত্রাণ zoom
উপকূল এলাকায় চলছে মাইকিং। নিজস্ব চিত্র

সুরজিৎ দেব, ডায়মন্ড হারবার: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মন্থা। মঙ্গলবার রাতে আছড়ে পড়ার কথা অন্ধ্রপ্রদেশের মছলিপত্তনম ও কাকিনাড়ার কাছে উপকূলে। বঙ্গে এর প্রভাব ততটা না পড়লেও আবহাওয়া প্রতিকূল হতে পারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন অঞ্চলেও। উত্তাল হতে পারে নদী ও সমুদ্র। তাই আগেভাগেই সতর্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। কাকদ্বীপ, সাগরদ্বীপ, নামখানা, বকখালি, ফ্রেজারগঞ্জ, ঘোড়ামারা, মৌসুনি দ্বীপ ও পাথরপ্রতিমা এলাকাগুলিতে বিশেষ সতর্কতা নিয়েছে কাকদ্বীপ মহকুমা প্রশাসন।

নদী ও সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষ, পর্যটক ও মৎস্যজীবীদের সতর্ক করতে সোমবার সকাল থেকেই মাইকে সতর্কবার্তা প্রচার শুরু হয়েছে। বকখালি, সাগর, মৌসুনি প্রভৃতি পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের অনেকেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। পর্যটকদের নদী ও সমুদ্রে না নামার জন্যও নিষেধ করা হয়েছে। উপকূলবর্তী থানার পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স বাহিনী সতর্ক নজর রেখেছে নদী ও সমুদ্রতটে ঘুরতে আসা পর্যটকদের উপর। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে সেচ, বিদ্যুৎ, জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলিকে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Flood center ready in coastal areas of Sundarban
উপকূল এলাকায় চলছে নজরদারি। নিজস্ব চিত্র

দক্ষিণ ২৪ পরগনার সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক, ডায়মন্ডহারবার) সুরজিৎকুমার বাগ বলেন, “গভীর সমুদ্রে ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীদের আজকের মধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপকূলে ফিরতে না পারলে সেই সমস্ত ট্রলার নিশ্চিত করে যেন কাছাকাছি কোনও ক্যানেল বা খাঁড়িতে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায় তারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও মৎস্যদপ্তর কাকদ্বীপ ও সুন্দরবন এলাকার সমস্ত মৎস্যজীবী সংগঠনগুলিকেও ট্রান্সপন্ডারহীন ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এই সতর্কবার্তা দেওয়ার কথা জানিয়ে দিয়েছে।” সহ মৎস্য অধিকর্তা আরও জানান, নির্দেশ মেনে ইতিমধ্যেই গভীর সমুদ্রে থাকা প্রায় সমস্ত ট্রলারই ফিরে এসেছে। কিছু ট্রলার উপকূলের দিকে ফিরতে শুরু করেছে। ২৮ অক্টোবর থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

কাকদ্বীপের মহকুমাশাসক মধুসূদন মণ্ডল জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের তেমন কোনও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা না থাকলেও দুর্যোগ মোকাবিলায় আগাম কিছু ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছে মহকুমা প্রশাসন। পর্যাপ্ত ত্রাণ বিভিন্ন ব্লকে মজুত রাখা হয়েছে। কাকদ্বীপ এসডিও অফিস ও ব্লকগুলিতে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। এছাড়াও ফ্লাড শেল্টারগুলিকে প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। সিভিল ডিফেন্সকেও যে কোনও ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.