Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Haringhata Marriage Controversy

বিয়ে বিতর্কের জের! তদন্ত রিপোর্টে ‘নাটক’ তত্ত্ব খারিজের পর ইস্তফা ম্যাকাউটের অধ্যাপিকার

ম্যাকাউটের অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজির বিভাগীয় প্রধান ছিলেন 'বিতর্কিত' পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৫, ১৬:১৬

options
link
বিয়ে বিতর্কের জের! তদন্ত রিপোর্টে ‘নাটক’ তত্ত্ব খারিজের পর ইস্তফা ম্যাকাউটের অধ্যাপিকার zoom

সুবীর দাস, কল্যাণী: ক্লাসরুমে ছাত্রের সঙ্গে মালাবদল, সিঁদুরদানে বিয়ে সম্পন্ন অধ্যাপিকার। গত সপ্তাহে হরিণঘাটায় (Haringhata ) রাজ্যের প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই বিতর্কের জল গড়িয়েছে বহু দূর। অভ্যন্তরীণ তদন্তও হয়েছে। এবার সেসব বিতর্কের জেরেই সম্ভবত পদত্যাগ করলেন অধ্যাপিকা পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়। ম্যাকাউটের অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজির বিভাগীয় প্রধান এবং অধ্যাপক – দুই পদ থেকেই ইস্তফা দিয়েছেন। পদত্যাদপত্র পাঠিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে। তবে তাঁর ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জানুয়ারির ২৯ তারিখ ম্যাকাউট বিশ্ববিদ্যালয়ের হরিণঘাটা ক্যাম্পাসের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যায়, অ্যাপ্লায়েড সাইকোলজির বিভাগীয় প্রধান পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম বর্ষের ছাত্র সিঁদুর পরাচ্ছেন, মালাবদল করে বিয়েও হয়েছে তাঁদের। এই ভাইরাল ভিডিও নিয়ে শোরগোল শুরু হতেই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ তদন্ত কমিটি বিষয়টিতে আলোকপাত করেন। অধ্যাপিকার ব্যাখ্যা দেন, ওই বিয়ে সত্যিকারের নয়, ফ্রেশার্স ওয়েলকামের জন্য নাটকের মহড়া চলছিল, তাতেই ওই দৃশ্য। এও জানান, পাঠ্যসূচির অন্তর্গত একটি বিষয় বোঝানোর জন্যও ওই অভিনয় করা হয়েছে। সকলের কাছে অধ্যাপিকা এই আবেদনও জানিয়েছিলেন, যাতে এনিয়ে কেউ কোনও মানহানিমূলক কোনও পোস্ট যাতে না ছড়ান।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু দিন দুই বাদে তদন্ত কমিটি এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা পড়ে। তাতে উল্লেখ, ক্লাসরুমে ওই ‘বিয়ের আসরে’র সঙ্গে পাঠ্যক্রমের কোনও সম্পর্ক নেই। এই ঘটনাকে এক ধরনের ‘ক্রুড ফান'( নিষ্ঠুর মজা বা নোংরামি) বলেও মন্তব‌্য করেন বিশ্ববিদ‌্যালয়ের অন্তর্বর্তী উপাচার্য তাপস চক্রবর্তী। বিতর্ক বাড়তে থাকায় অধ্যাপিকা পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায়কে ছুটিতে পাঠানো হয়। এরপর সম্ভবত আর আত্মপক্ষ সমর্থনের মতো আর কোনও রাস্তা ছিল না। মঙ্গলবার তিনি ইস্তফা দিলেন। এ বিষয়ে মঙ্গলবার মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডক্টর পার্থপ্রতিম লাহিড়ি জানিয়েছেন, ওই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপিকা পায়েল বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.