দেবব্রত মণ্ডল ও গোবিন্দ রায়: কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর পুলিশি নিরাপত্তায় মনোনয়নপত্র জমা দিতে গিয়ে মৃত্যু আইএসএফ প্রার্থীর। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে প্রাণ গিয়েছে তাঁর। মৃত্যু হয়েছে এক তৃণমূল কর্মীরও। এই ঘটনায় কাঠগড়ায় তৃণমূল। যদিও সে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে আসেন ভাঙড়-সহ একাধিক এলাকার ৮২জন আইএসএফ প্রার্থী। পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন বিচারপতি। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ভাঙড় ও কাশীপুর থানা থেকে প্রার্থীদের নিয়ে পুলিশ মনোনয়ন দিতে যায়। অভিযোগ, শোনপুর বাজারের কাছে পুলিশের সঙ্গে থাকা দলটিকে ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ সরে যায়। প্রার্থীদের উপরে হামলা শুরু হয়। চলে গুলি। মৃত্যু হয় মহিউদ্দিন নামে আইএসএফ প্রার্থীর। আরও বেশ কয়েকজন জখম হন।
[আরও পড়ুন: সংবাদ প্রতিদিনের খবরে সিলমোহর, হাইব্রিড মডেলে ঘোষিত এশিয়া কাপের সূচি]
এদিকে, মনোনয়ন পর্ব মিটলেও ভাঙড়ে অব্যাহত অশান্তি। সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসের বাইরে জমায়েত আইএসএফ কর্মী-সমর্থকদের। ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের বিজয়গঞ্জ বাজারে ব্যাপক বোমাবাজি। একের পর এক গাড়িতে আগুন। ধোঁয়ায় ঢাকল গোটা এলাকা। বিডিও অফিসেও চলে ব্যাপক ভাঙচুর। স্থানীয় বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। অশান্তি সত্ত্বেও পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে সরব বিরোধীরা।
[আরও পড়ুন: রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল, মানস ভুঁইঞার হাত থেকে পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব নিলেন মুখ্যমন্ত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন