Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬

শ্যামাপ্রসাদকে ছুঁয়েছেন ফিরহাদ! গঙ্গাজলে মূর্তি ধুয়ে শোধন করার দাবি জয়ের

যারা দেশদ্রোহিতা করে তাদের কাছে আমরা বড় শত্রু, মন্তব্য বিজেপি নেতার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৮, ১৯:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০১৮, ১৯:৪১

options
link
শ্যামাপ্রসাদকে ছুঁয়েছেন ফিরহাদ! গঙ্গাজলে মূর্তি ধুয়ে শোধন করার দাবি জয়ের zoom

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: শনিবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের যে মূর্তিতে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম মালা দিয়েছিলেন, সেই মূর্তিটি গঙ্গা জলে ধুয়ে শোধন করতে হবে বলে মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়৷

অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘যে ফিরহাদ হাকিম মিনি পাকিস্তানের হয়ে সওয়াল করেন, তিনি শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মতো ভারত গৌরবের মূর্তি স্পর্শ করায় সেই মূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে। তাই অবিলম্বে সেই মূর্তি গঙ্গা জলে ধুয়ে শোধন করে নেওয়া উচিত৷’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দুর্যোগই কাল হল, মন্দারমণিতে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু ভাই-বোনের]

রবিবার শ্যামপুরে বিজেপির নবনির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য ও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারীদের সংবর্ধনা ও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগ তুলে বাউড়িয়া থানায় ডেপুটেশন উপলক্ষে জোড়া সভায় বক্তব্য পেশ করেন জয় বন্দ্যোপাধ্যায়৷ দুটি সভাতেই উপস্থিত ছিলেন বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ জেলা সভাপতি অনুপম মল্লিক ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ৷ এই সভা দুটি থেকে জয়বাবু তীব্র ভাষায় তৃণমূলকে আক্রমণ করেন৷ বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দেশপ্রেম ও দেশভক্তি শিক্ষণীয়। তিনি বিজেপির জনক এবং দেশবাসীর পথপ্রদর্শক। যে তৃণমূল, বিজেপিকে সাম্প্রদায়িক দল বলত তারাই এখন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মূর্তিতে মাল্যদান করে প্রমাণ করলেন, বিজেপি সম্প্রদায়িক নয়।’’

[অনুব্রতর দুর্গে অমিতের সফর! ফুঁসছে পদ্ম-ঘাসফুল শিবির]

জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও অভিযোগ, ‘‘আমরা কোনওদিনই সাম্প্রদায়িক ছিলাম না। আমরা ধর্মের ভিত্তিতে দেশকে ভাগ করতে চাইনি৷ যদি ভাগ করতে চেয়ে থাকি তা হল দেশভক্ত ও দেশদ্রোহীদের মধ্যে, তা সে যে কোনও ধর্মেরই হোক না কেন৷ যারা দেশকে ভক্তি শ্রদ্ধা করেন তাঁদের জন্য আমরা সবসময় আছি৷ আর যারা দেশদ্রোহিতা করে তাদের কাছে আমরা বড় শত্রু৷’’ আরও বলেন, ‘‘অনেক রাজনৈতিক দল দেশদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ক্ষমতায় থাকতে চায়, আমরা সেটা করি না বলেই আমরা কাশ্মীর সরকার থেকে বেরিয়ে এসেছি। আমরা মানুষের কাজ করতে চাই, মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চাই। চেয়ার আঁকড়ে ধরে থাকতে চাই না৷’’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.