Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

স্নান করতে গিয়ে গঙ্গায় ডুবে মৃত্যু মেধাবী ছাত্রের, শোকস্তব্ধ কাটোয়া 

চোখের জলে ভাসছে গোটা এলাকা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০১৮, ২০:১১

options
link
স্নান করতে গিয়ে গঙ্গায় ডুবে মৃত্যু মেধাবী ছাত্রের, শোকস্তব্ধ কাটোয়া  zoom
ছবি: জয়ন্ত দাস।

ধীমান রায়, কাটোয়া: গঙ্গায় ডুবে মৃত্যু হল প্রতিশ্রুতিবান এক ক্রীড়াবিদের৷ জয় সাহা নামে ওই যুবক কাটোয়া কলেজের বিএ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন৷ মেধাবী ছাত্রের অকালমৃত্যুতে শোকস্তব্ধ কাটোয়া পুরসভার দশ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষহাট৷ 

[ফের অজানা জ্বরের আতঙ্ক কাঁকসায়, কিশোরের মৃত্যুর পর সতর্ক প্রশাসন]

কাটোয়া পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোষহাটের বাসিন্দা সিদ্ধেশ্বর সাহা ও বীণাদেবীর একমাত্র পুত্র ছিলেন জয়। তাঁর বাবা পেশায় টোটোচালক। কাটোরা কাশীগঞ্জ পাড়াতেই আগে থাকত তাঁরা। পারিবারিক সমস্যার জেরে বাবা-মায়ের সঙ্গে আপাতত ঘোষহাটে ভাড়াবাড়িতেই থাকত সে৷ মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই প্রতিবেশীদের সঙ্গে দিব্যি ভাব জমিয়ে নিয়েছিলেন জয়৷ ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলায় অসম্ভব দক্ষতা ছিল জয়ের। কাটোয়ার জাগরণী ক্রীড়া আ্যকাডেমি নামে একটি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জয়। সেখানেই ক্রীড়াচর্চা করতেন। এদিন সকালে অনুশীলনের জন্য তিনি বাড়ি থেকে পৌরসভার মাঠে গিয়েছিলেন। সেখানে অনুশীলন শেষ করে সকাল প্রায় সাড়ে দশটা নাগাদ মরিঘাটে স্নান করতে গিয়েছিলেন। স্নান করার সময় নদীর জলে তলিয়ে যান কাটোয়া কলেজের তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্র। স্থানীয় কয়েকজন দেখতে পেয়েই তারা উদ্ধারের চেষ্টা করেন। খবর দেওয়া হয় মহকুমা শাসকের অফিসে। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা বোট নিয়ে তল্লাশি শুরু করেন। দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘাট থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে জয়ের দেহটি উদ্ধার করা হয়। এরপর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সুপ্রিম রায়ে বীরভূমে বিজয়োৎসব তৃণমূলের, গণতন্ত্রের জয় বললেন অনুব্রতর]

কাটোয়ার জাগরণী ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা সৌমিত্র সাহা জানিয়েছেন, ‘‘ছোট থেকেই ভাল ফুটবল খেলতেন জয়৷ ২০১৪ সালে স্কুল স্তরের ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ১০০ মিটার দৌড়ে রাজ্যে প্রথম হয়েছিলেন তিনি। তাছাড়া জেলাস্তরের প্রতিযোগিতাতেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছিলেন জয়।’’ ছেলের মৃত্যুতে চোখের জলে ভাসছেন জয়ের বাবা-মা৷ একমাত্র ছেলের অকালমৃত্যু মানতে পারছেন না তাঁরা৷ প্রাণচঞ্চল জয়ের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ প্রতিবেশীরাও৷ গোটা এলাকাতেই নেমেছে শোকের ছায়া৷

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.