ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) বিরুদ্ধে লাগাতার কুকথায় আক্রমণ। বিধানসভা ভোটের আগে এবার আইনি জটে জড়ালেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। তাঁকে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন বিজেপির আইনি পরামর্শদাতা রাজা সত্যজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্প্রতি বিভিন্ন জনসভা থেকে দিলীপ ঘোষের উদ্দেশে কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন অনু্ব্রত মণ্ডল। এছাড়া সর্বভারতীয় এক টেলিভিশন চ্যানেলে বসেও তিনি একইরকমভাবে কুকথা বলেছেন বলে অভিযোগ। আর তার জেরেই এই আইনি নোটিস (Legal notice)। যদিও এই নোটিসকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ অনুব্রত মণ্ডল।
শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের জনসভা থেকে দিলীপ ঘোষকে ‘জানোয়ার’ বলে তীব্র আক্রমণ করতে শোনা গিয়েছিল অনুব্রতকে। বলেছিলেন,
“দিলীপ ঘোষ মা দুর্গার সম্পর্কে অনেক আজেবাজে কথা বলেছে। দিলীপ ঘোষের শরীরে মানুষের চামড়া নেই। গণ্ডারের চামড়া রয়েছে। ও মহিলাদের সম্মান দিতে জানে না।” শুধু এখানেই নয়, সম্প্রতি বিজেপিকে বিঁধতে তিনি প্রায় একই ভাষা ব্যবহার করে চলেছেন। তাতেই এবার আইনি প্যাঁচে পড়তে হল তাঁকে।
[আরও পড়ুন: ‘কে আসলে ব্ল্যাকমেল করছে, মতুয়ারাই বলবেন’, দলের বিধায়ককে পালটা বিজেপি সাংসদ শান্তনুর]
ব্যালটবাক্সে ভোটযুদ্ধের আগে প্রচারসভাগুলিতে যুযুধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বাকযুদ্ধ হয়েই থাকে। নানাভাবে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করা সব শিবিরেরই রোজনামচা। তবে তাতেও ভাষার লাগাম থাকাটা দস্তুর। কিন্তু ইদানিং নেতানেত্রীদের শব্দপ্রয়োগ শালীনতার মাত্রা ছাড়াচ্ছে। ভোটের প্রচারে অনুব্রত মণ্ডলের মতো জনপ্রিয় নেতার মুখে একাধিক ভাষা যেমন রাজনৈতিক অভিধানে ঢুকে পড়েছে, তেমনই সেসব বহু সমালোচিতও। ‘চড়াম চড়াম’, ‘গুড়বাতাসা’, ‘উন্নয়ন দাঁড়িয়ে থাকা’র মতো শব্দপ্রয়োগ করেও তিনি নিজস্বতার ছাপ রেখেছিলেন। কিন্তু বিরোধী নেতাকে ‘মানবেতর’ বলে সরাসরি আক্রমণ করেই এবার জড়িয়ে পড়লেন আইনি জটে।
[আরও পড়ুন: মতুয়াদের অনুষ্ঠানে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে মমতাবালা ঠাকুর, অনুন্নয়ন নিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী]
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন