সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রঙের উৎসবে মেতেছে গোটা দেশ। বাদ যাননি বঙ্গবাসীও। দোলের মেজাজেই বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন বিজেপি-র সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। রাজ্যে দিনকয়েক আগে ধৃত জেএমবি লিংকম্যান প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তিনি।
এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, “গোটা বাংলায় সিমি, জামাত, আল কায়দা জঙ্গিরা ছড়িয়ে রয়েছে। অনেকগুলি এমন ঘটনা ঘটেছে যেখানে দেখা যাচ্ছে জঙ্গিরা মাদ্রাসায় পড়াচ্ছে। মাদ্রাসাকে আশ্রয় হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এখানে জঙ্গি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। মাদ্রাসাগুলি কি এজন্য খোলা হয়েছে? মাদ্রাসার লোকেরা কি এগুলি জানেন না? সরকারের চোখের সামনে এসব ঘটছে।” খড়গপুরের বিজেপি সাংসদের দাবি, পুলিশের ক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। ঊর্দিধারীদের আধুনিক যন্ত্রপাতি দেওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি।
[আরও পড়ুন: সমকামী প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে যৌনাচার, শিক্ষকের কীর্তিতে তোলপাড় ডায়মন্ড হারবার]
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার রাতে হাওড়ার বাঁকড়া থেকে জেএমবি’র লিংকম্যান সন্দেহে একজনকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ। ধৃত আমিরুদ্দিন আনসারি মাদ্রাসার শিক্ষক। সেই পরিচয়েই বাড়িভাড়া নিয়ে ছিল সে। ধৃতের ভাড়াবাড়িতে বৃহস্পতিবার তল্লাশি চালায় এসটিফ। ধৃত ভাড়াবাড়ি থেকে কিছু কাগজপত্র ও মোবাইল সিমের কভার উদ্ধার করে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে জেহাদি কাগজপত্র, পেনড্রাইভ, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোনও পাওয়া গিয়েছে।
কয়েক বছর আগে উত্তরপ্রদেশের দেওবন্দে পড়তে গিয়েছিল আমিরুদ্দিন। সেখানেই কয়েকজন বাংলাদেশির সঙ্গে আলাপ হয়। পুলিশ জানতে পেরেছে ওই ব্যক্তিরাই জঙ্গি কার্যকলাপে আমিরুদ্দিনের মগজধোলাই করে। তখন থেকেই বাংলাদেশের জেএমবির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়ে। জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে রীতিমতো বই তৈরি করে তা সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে ছড়িয়ে দিচ্ছিল আমিরুদ্দিন আনসারি। দীর্ঘদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই প্রচার চালাচ্ছিল সে। ওই বইয়ের মাধ্যমেই জঙ্গি কার্যকলাপ নিয়ে মানুষের মগজধোলাই করছিল। জঙ্গি সন্দেহে আমিরুদ্দিন আনসারিকে ধরার পর তদন্তে নেমে এমনটাই জানতে পেরেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স বা এসটিএফ।