সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্ত্রীকে কুঠারের কোপ মেরে আত্মঘাতী যুবক। মৃতের নাম শেখ সফিক(৩৫)। স্ত্রীকে কোপ মারার পর গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে পড়েন সফিক। স্থানীয়রা গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে তড়িঘড়ি রক্তাক্ত গৃহবধূকে উদ্ধার করে শ্রীরামপুর ওয়ালস হাসপাতালে ভরতি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতাল সূত্রের খবর, গৃহবধূর অবস্থা আশঙ্কাজনক। সোমবার সকালে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হুগলির চণ্ডীতলার কাপাসারিয়া এলাকার মসজিদ পাড়ায়।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দাম্পত্য কলহের জেরেই স্ত্রীকে মেরে আত্মঘাতী হয়েছেন সফিক। এদিকে স্বামীর আক্রমণে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন স্ত্রী সুরাইয়া। তিনি সুস্থ হলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, দাম্পত্য কলহের জেরেই গোটা ঘটনাটি ঘটেছে। প্রায় দিনই মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি করতেন ওই যুবক। প্রতিবাদ করলেই জুটত ব্যাপক মারধর। এদিন সাত সকালেই ফের অশান্তি শুরু হয় ওই দম্পতির মধ্যে। অভিযোগ, আচমকাই স্ত্রীর উপরে কুঠারের কোপ বসিয়ে দেন যুবক। রক্তাক্ত অবস্থায় গৃহবধূ লুটিয়ে পড়লে সফিক মনে করেছিলেন স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। তাই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হন। গোটা ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
[দুর্গাপুরে বাড়িতে ঢুকে প্রাক্তন শিক্ষককে কুপিয়ে খুন, গ্রেপ্তার ১ দুষ্কৃতী]
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, শেখ সফিক কোনও কাজকর্ম করতেন না। ওই দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। স্বামী কিছু না করায় ছেলেমেয়ের মুখে খাবার তুলে দিতে নানারকম অসুবিধায় পড়তেন সুরাইয়া বেগম। এনিয়ে তাঁদের সংসারে নিত্য অশান্তি লেগে থাকত। রবিবার রাতেও অশান্তি হয় দম্পতির মধ্যে। ভোর ৪.৩০ মিনিটে আচমকাই ছেলেমেয়ের সামনে স্ত্রীকে কুঠারের কোপ দেন সফিক।