বিক্রম রায়, কোচবিহার: বুধবার দুষ্কৃতীদের দুটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল কোচহবিহারের সিতাই। রাতে অভিযান চালাতে গিয়ে আক্রমণে মুখে পড়ল পুলিশ। গুলিবিদ্ধ খোদ এসডিপিও-র দেহরক্ষী। রাতভর অভিযান চালিয়ে সিতাই থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা-সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১২ জন।
[ফের ভিডিও কলে আত্মহত্যা, প্রেমিকের গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলে পড়ার দৃশ্য দেখল নাবালিকা]
পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে দুষ্কৃতীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে কোচবিহারের দিনহাটায়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মঙ্গলবার চ্যাংরাবান্ধায় গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক বৈঠকে পুলিশকে কড়া হাতে দিনহাটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দেন তিনি। কিন্তু, ঘটনা হল, বুধবারও ফের দুষ্কৃতীদের সংঘর্ষ হয় দিনহাটা মহকুমায়। রীতিমতো রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল সিতাই। রাতে অভিযানে নামে পুলিশ। কিন্তু, পুলিশকেও রেয়াত করেনি দুষ্কৃতীরা। দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হয়েছেন এক পুলিশকর্মী। যিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তিনি দিনহাটার এসডিপিও-র দেহরক্ষী। সিতাই থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা-সহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১২ জনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
কোচবিহারের পুলিশ সুপার ভোলানাথ পাণ্ডে জানিয়েছেন, সিতাইয়ে গণ্ডগোল পাকানোর জন্য জড়ো হয়েছিল দুষ্কৃতীরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ যখন সেখানে পৌঁছয়, তখন দুষ্কৃতীরা গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হন দিনহাটা এসিপিডি-র দেহরক্ষী পরিমল দাস। ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রও পাওয়া গিয়েছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সমাজবিরোধীরা নয়, সিতাইয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে শাসকদলেরই দুটি গোষ্ঠী। ধৃতের সকলেই শাসকদলের যুব সংগঠনের কর্মী।
[অভিযোগকারিণীর বিরুদ্ধেই মামলা দায়ের করলেন খোদ বিচারক, কিন্তু কেন?]