সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চারদিন পর দুই জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করার নির্দেশ নিল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়ার বাসিন্দারা।
লোকসভা, রাজ্যসভার পরীক্ষা পেরিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলে (CAB) রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করে দেওয়ার পরই তা আইনে পরিণত হয়েছে। তারপর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় নাগরিকত্ব (সংশোধিত) আইন (CAA) বিরোধী প্রতিবাদ। কোথাও পথ অবরোধ, কোথাও রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে, কোথাও আবার রেললাইন অবরোধ করে লাগাতার চলতে থাকে প্রতিবাদ। একের পর এক জ্বালিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন-বাস। কার্যত ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয় রাজ্য জুড়ে।
[আরও পড়ুন: মিড ডে মিলে পাউরুটি-বিস্কুট, হিসেবে কারচুপির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে]
অশান্তির আগুন ধীরে ধীরে জ্বলতে শুরু করার পর থেকেই বারবার সকলকে শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শান্তিপূর্ণ পথে আন্দোলনের কথা বলেছিলেন তিনি। একই বার্তা দিয়েছিল বিভিন্ন মহল। কিন্তু সেই আবেদন ফলপ্রসূ হয়নি। ক্রমাগত জটিল হতে থাকে পরিস্থিতি। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে হিংসাত্মক ছবি। সেই কারণে বাধ্য হয়েই রবিবার ৪টি জেলায় সম্পূর্ণ ও দুটি জেলায় আংশিকভাবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেয় রাজ্য সরকার।
[আরও পড়ুন: ‘পুলিশের বন্দুকে কন্ডোম পরিয়ে রেখেছেন’, নাম না করে মমতাকে কটাক্ষ বিজেপি সাংসদের]
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৬ জেলায় বন্ধ ছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। মঙ্গলবার থেকেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে থাকে রাজ্যের পরিস্থিতি। এরপর বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে যে, আজ থেকেই ফের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও হাওড়া জেলার বাসিন্দারা। তবে বাকি ৪ জেলা অর্থাৎ উত্তর দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ২৪ পরগনায় কবে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু হবে সে বিষয়ে এখনও কোনও তথ্য মেলেনি প্রশাসনের তরফে।
সর্বশেষ খবর
-
আপনার এই মাস এপ্রিল ২০২৬, মকর রাশি
-
কোথায় রাখবে এত লজ্জা! টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের কাছে অষ্টমবার হার পাকিস্তানের
-
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে আচমকা দুঃসংবাদ, অনুশীলনে চোট পেলেন পন্থ
-
বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেশে ভোট পড়েছে ৫৭.৭ শতাংশ, এগিয়ে বাংলা, জানাল কমিশন