শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া। তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস সংঘর্ষ, চলল বোমা ও গুলি। গুলিবিদ্ধ আটজন। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়িতেও। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, চোপড়ার দাসপাড়া পঞ্চায়েত এলাকায় নামে ব়্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। কাঁদানে গ্যাস, এমনকী, শূন্যে কয়েক রাউন্ড গুলি চালাতে হয় পুলিশকে। পরিস্থিতি এখনও যথেষ্ট থমথমে। এদিকে এত অশান্তি মধ্যেই পঞ্চায়েতে বোর্ড করেছে শাসকদলই। এদিকে ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘর্ষে পুলিশকর্মী-সহ আহত হন ৫ জন।
[ পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ঝাড়গ্রামে খুন তৃণমূল কর্মী]
ভোটের ফলে কোনও সমস্যা নেই। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পঞ্চায়েতে ২৩টি আসনেই জিতেছেন শাসকদলের প্রার্থীরা। কিন্তু দাসপাড়া পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল বিরোধীরা। সিপিএম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, পঞ্চায়েত ভোটে দিনে সন্ত্রাস করে নিজেদের প্রার্থীদের জিতিয়েছেন শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা। মঙ্গলবার সকালে যখন দাসপাড়া পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখন বাধা দেন কংগ্রেস কর্মীরা। সেই নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত। কংগ্রেস ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। চলে গুলি ও বোমা। গুলিবিদ্ধ হন দু’পক্ষের আটজন। এলাকার বেশ কয়েকটি বাড়ি আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। চোপড়ার দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। নামে ব়্যাফ ও কমব্যাট ফোর্স। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রথমে কাঁদানে শেল ছোঁড়ে পুলিশ। শূন্যে গুলিও চালাতে হয়। এদিকে আবার পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠনকে কেন্দ্র সংঘর্ষে ঘটনা ঘটেছে ইটাহার গ্রাম পঞ্চায়েতেও। তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষে পুলিশকর্মী-সহ আহত ৫। পুলিশের গাড়িতেও আগুন লাগিয়ে দেয় সংঘর্ষকারীরা।
[ বালুরঘাটে বিজেপি প্রার্থীর অপহরণ ঘিরে চাঞ্চল্য, কাঠগড়ায় তৃণমূল]