Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Malda

ফেরিওয়ালা সেজে অস্ত্র পাচার! শিয়ালদহে হাসান শেখের গ্রেপ্তারিতে তাজ্জব মালদহের প্রতিবেশীরা

জামাকাপড় নিয়ে শিলিগুড়ি হয়ে বিহার, নেপাল চষে বেড়ানো মালদহের হাসান আসলে অস্ত্রবাহক! ভাবতেই পারছেন না কেউ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ০৯:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ০৯:২২

options
link
ফেরিওয়ালা সেজে অস্ত্র পাচার! শিয়ালদহে হাসান শেখের গ্রেপ্তারিতে তাজ্জব মালদহের প্রতিবেশীরা zoom

বাবুল হক, মালদহ: ফেরিওয়ালার আড়ালে আসলে অস্ত্র-বাহক! পাড়াপড়শিদের দাবি, তাঁরা সবাই তাকে ‘ভালো মানুষ’ বলেই জানেন। কিন্তু সোমবার সকালে বাসিন্দারা জানতে পারেন, পাড়ার সেই ছেলেই প্রচুর অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছে শিয়ালদহ স্টেশনে। খবর শুনেই তাজ্জব ফেরিওয়ালা হাসান শেখের প্রতিবেশীরা! তাঁদের পালটা প্রশ্ন, কবে থেকে সে পিস্তল, পাইপগান, থ্রিনাট, বন্দুক, রিভলভারের ব্যবসা করছে? তাঁরা তো হাসানকে একজন সামান্য সাধাসিধে রেডিমেড পোশাক ব্যবসায়ী বলেই জানতেন। কিন্তু সেই ফেরিওয়ালার ঝোলা থেকেই মিলেছে ছ’টি আগ্নেয়াস্ত্র, আটটি কার্তুজ। এতেই হতবাক পাড়ার সবাই।

পাশাপাশি এদিন সবাই বুঝে গিয়েছেন, শিলিগুড়ি হয়ে বিহার, নেপাল চষে বেড়ানো মালদহের মোজমপুরের ফেরিওয়ালা হাসান ধীরে ধীরে বনে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের ‘বাহক’। সোমবার সকালে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) শিয়ালদহ স্টেশন থেকে হাসানকে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্র সমেত গ্রেপ্তার করে। হাটেবাজারে এক্সপ্রেস ট্রেন থেকে শিয়ালদহ স্টেশনে পা রাখতেই এসটিএফের জালে পড়ে সে। এই হাসান শেখের পরিচয় কী?

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
মালদহের কালিয়াচকের মোজমপুর গ্রামে হাসান শেখের বাড়ি। নিজস্ব ছবি।

হাসানের বাড়ি মালদহের কালিয়াচক থানার মোজমপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। একসময় ‘গোলাবারুদের গ্রাম’ হিসেবে বদনাম ছিল এই মোজমপুরের। এখনও কি ফের সেই তিমিরেই? প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে একের পর এক এইসব অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা। গ্রামের নাম কিসমত নারায়ণপুর। কালিয়াচক থানা থেকে অন্তত আট কিলোমিটার। মোজমপুর অঞ্চলের শেষ প্রান্তে নারায়ণপুর। সেখানেই বাড়ি হাসান শেখের। টালির জরাজীর্ণ বাড়ি। বাউন্ডারি পাঁচিল নেই। রাতে শিয়াল ঢোকে। এদিন দুপুরে বাড়িতে কেউ ছিলেন না। পুরোটাই ফাঁকা। কাকপক্ষীরও দেখা নেই। হাসানের গ্রেপ্তারের খবর শুনেছেন পড়শিরা। হাসানের পরিবার, স্ত্রী ও ছেলেমেয়েরাও নেই। এগিয়ে আসেন হাসানের বউদি শেলি বিবি। তিনি বলেন, “হাসান আমার নিজের দেওর। ও রেডিমেড পোশাক, কাপড়ের ফেরি করে বেড়ায় নেপাল, বিহার, শিলিগুড়িতে। বিহারের মধুবনিতে কাপড়ের আড়ত আছে। বাড়িতে ওর স্ত্রী আছে। তিন মেয়ে আর এক ছেলে আছে ওর। খুব গরিব পরিবার।”

শেলি বিবির আরও বক্তব্য, “আমরা সবাই ওকে (হাসান) ভালো মানুষ বলেই জানি। কিন্তু লোভে পড়ে হয়তো এই পথে নেমে গিয়েছে।” পরিবার সূত্রে খবর, দিন দশেক আগে বিহারের মধুবনি থেকে বাড়ি ফিরে আসে হাসান। এলাকাযতেই ছিল। রবিবার সন্ধ্যায় সে কালিয়াচক সদর স্ট্যান্ডে যায়। স্ত্রীকে বলেছিল, কাজ আছে। কিন্তু রাতে হঠাৎ তার মোবাইল বন্ধ হয়ে যায়। এদিন সকালে তাঁরা রহস্যটা বুঝতে পারেন। রাতে ওর মোবাইলের সুইচ বন্ধ ছিল। কিন্তু সকালে শুনলাম, কলকাতায় ওকে পুলিশ ধরে নিয়েছে। ওর কাছে অনেকটি পিস্তল, থ্রিনাট পেয়েছে পুলিশ।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'নজরে নবান্ন' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.