অরূপ বসাক, মালবাজার: এলাকার তিনটি বড় গাছে কয়েকশো বাদুড়ের বাস। নিপার আতঙ্ক ছড়িয়েছে ডুয়ার্সের ওদলাবাড়ি শহরের ডিপোপাড়ায়। আতঙ্ক এতটাই, যে রাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ডিপোপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি, এলাকার বেশ কয়েকটি বড় গাছ কেটে ফেলেছেন তাঁরা। কিন্তু বাদুড়ের আনাগোনা কমেনি।
[গাছে ঝুলে অসংখ্য বাদুড়, নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল বীরচন্দ্রপুরে]
মানুষের বড় একটা ক্ষতি করেনি প্রাণীগুলি। তাই গাছের ডালে ঝুলন্ত বাদুড়দের নিয়ে মাথা ঘামাননি স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু, নিপা ভাইরাসের সৌজন্য এখন এলাকার ত্রাস হয়ে হয়ে উঠেছে নিরীহ প্রাণীটি। কারণ বাদুড় তো আর শুধু গাছের ডালে ঝুলে থাকে না। ফলমূলও খায়। সেই ফল যদি মানুষের পেটে যায়, তাহলেই সর্বনাশ। শরীরে ঢুকে পড়বে নিপার মতো মারণ ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে নিপায় আক্রান্তের সন্ধান মেলেনি ঠিকই। কিন্তু, আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না মালবাজারের ওদলাবাড়ির শহরের ডিপোপাড়ার বাসিন্দাদের। বাদুড়ের আতঙ্কে রাস্তায় বেরোতেও ভয় পাচ্ছেন তাঁরা।
ডিপোপাড়ার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকার তিনটি বড় গাছে আস্তানা গেড়েছে কয়েকশো বাদুড়। দিনরাত গাছের ডালে ঝুলছে প্রাণীগুলি। ফল খেতে আবার বাইরে থেকেও আসছে বাদুড়ের দল। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কয়েকটি ফলের গাছ কেটেও ফেলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কিন্তু, এলাকার বাদুড়ে আনাগোনা কমেনি। বরং তা উত্তরোত্তর বাড়ছে বলে দাবি করেছেন ওদলাবাড়ির ডিপোপাড়ার বাসিন্দারা। শুধু কি বাদুড়! স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ডিপোপাড়ায় কয়েকটি শুয়োর খাটালও রয়েছে। ফলে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। জানা গিয়েছে, ওদলাবাড়ির শহরের ডিপোপাড়া পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকবহাল স্থানীয় প্রশাসনও। বাসিন্দাদের অযথা আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে স্বাস্থ্য দপ্তরও।
[বাড়ছে নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক, জামাইষষ্ঠীর মুখে চিন্তায় লিচু বিক্রেতারা]