Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নির্বাচন, দেওয়াল লিখন

নকুলদানার ভয়ে আতঙ্কে বাসিন্দারা, ভোটের মরশুমেও প্রচার নেই বীরভূমের এই গ্রামে

প্রচার ছাড়াই শান্তিতে আছেন, জানালেন স্থানীয়রা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৪:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৪:৪২

options
link
নকুলদানার ভয়ে আতঙ্কে বাসিন্দারা, ভোটের মরশুমেও প্রচার নেই বীরভূমের এই গ্রামে zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: ভোটের মুখে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যখন ব্যপক ভাবে প্রচার চালাচ্ছে সব দল। সেই সময় অন্য ছবি দেখা গেল বীরভূমের রামপুরহাটের ২ নম্বর ব্লকের দুনিগ্রাম এলাকায়। কারণ, এই ভোটের মরশুমেও এই এলাকায় গেলে চোখে পড়বে না কোনও দেওয়াল লিখন। কিন্তু কেন এই ভোটের বাজারে ব্রাত্য ওই এলাকা? সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলিকে প্রশ্ন করেও কার্যত তার কোনও সঠিক উত্তর মেলেনি। যদিও এতেই খুশি স্থানীয়রা।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে দলের জয় না হওয়া পর্যন্ত পায়ে জুতো গলাবেন না, ধনুকভাঙা পণ বিজেপি কর্মীর]

বীরভূম অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুক। তাঁর জেলার রামপুরহাটের ২ নম্বর ব্লকের দুনিগ্রামে পৌঁছলে কেউ বুঝতেই পারবে না এটা ভোটের মরশুম। কারণ, ভোট মানেই তো দেওয়াল লিখন। আর সে সবের কোনও চিহ্নই নেই দুনিগ্রাম বাসস্ট্যান্ড চত্বর, মণ্ডলপাড়া, কৃষ্ণপুর, সিংগি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। কিন্তু এমন কেন? এবিষয়ে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় নির্বাচনী বুথ রয়েছে। সেই কারণে সরকারি ভাবে ওই এলাকায় দেওয়াল লিখনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। যদিও তা মৌখিকভাবে, তা সত্ত্বেও নির্দেশ মেনেই এই সিদ্ধান্ত। তবে এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সম্পাদক আশিস ঘোষ জানিয়েছেন, ‘সময় মতো আমাদের মণ্ডল সভাপতির টাকা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। সেই কারণে দেওয়া লেখা হয়নি। তবে দু-একদিনের মধ্যেই দেওয়াল লিখনের কাজ শুরু হবে।এক্ষেত্রে কংগ্রেসের দাবি, তাদের জানা নেই ওই এলাকায় দেওয়াল লিখন হয়েছে কিনা। না হয়ে থাকলে, কেন হননি সে বিষয়েও তারা কার্যত উদাসীন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ক্ষমতায় এলে রাফালে দুর্নীতির তদন্ত হবে, করণদিঘির সভায় ঘোষণা রাহুল গান্ধীর]

রাজনৈতিক দলের মতামত যাইহোক না কেন, দেওয়াল লিখন না হওয়ায় এক প্রকার শান্তিতে আছেন স্থানীয়রা। কারণ, প্রতি নির্বাচনে অশান্তি দেখে ক্লান্ত তাঁরা। তাদের কথায়, ‘ভোট আসবে, ভোট যাবে। তা নিয়ে হানাহানি করে কী লাভ?’ মণ্ডলপাড়ার বাসিন্দা এখতিয়ার জানিয়েছেন, ‘আমরা এখানে যে যে দলই করি না কেন, আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নাই। কিন্তু দেওয়াল লিখন এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। তাই লেখা-লেখি না হওয়াই ভাল।’ এই গ্রামে কোনওরকম প্রচারেরও প্রয়োজন নেই এমনটাই মত তাঁদের।’ তাঁরা জানান, ‘আমরা সকলেই জানি যে কোন দলের প্রার্থী কে। যার যাকে ভোট দেওয়ার তাঁকে দেবে। সেক্ষেত্রে দেওয়াল লিখনের কার্যত কোনও গুরুত্ব নেই।’ গ্রামের এক বাসিন্দা নিজামুদ্দিন জানান, ‘পঞ্চায়েত ভোট থেকে আতঙ্ক কাজ করছে আমাদের মধ্যে। কেউ লাঠি হাতে উন্নয়নকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখছেন। কেউ নির্দেশ দিচ্ছেন নকুলদানা বিলির। আমরা চাই না এসব সাংকেতিক কথার প্রভাব আমাদের এলাকায় পড়ুক।’ সেই কারণে দেওয়াল লেখার বিপক্ষেই ভোট স্থানীয়দের।

ছবি: সুশান্ত পাল

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.