সোমনাথ পাল,বনগাঁ: গভীর রাতে পল্লি চিকিৎসকের চেম্বারে আগুন। পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে চেম্বারটি। আগুনের গ্রাসে লক্ষাধিক টাকার ওষুধ, নগদ টাকা ও একটি মোটরসাইকেল। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, ওই পল্লি চিকিৎসক সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তাঁর চেম্বারে শাসকদলের বৈঠকও হত। সেই রাগেই চেম্বারে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে স্থানীয় সিপিএম কর্মীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিরোধী দল। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার দেয়ারা গ্রামে।
[ঘরে ঢুকে বিজেপি কর্মীকে গুলি করে খুন, চাঞ্চল্য শান্তিপুরে]
গাঁ-গঞ্জে তো আর চট করে পাশ করা ডাক্তার পাওয়া যায় না। গ্রামের হাসপাতালে কিংবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে কাজ করতে প্রবল অনীহা সরকারি চিকিৎসকদের। তাই বিপদে-আপদে গ্রামের মানুষদের ভরসা পল্লি চিকিৎসকরাই। এঁরা কেউই এমবিবিএস ডিগ্রিধারী নন। তবে পল্লি চিকিৎসকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে সরকার।
উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা থানার দেয়ারা গ্রামের পল্লি চিকিৎসক মাজেয়ার মণ্ডল। গ্রামে সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত তিনি। মাজেয়ার মণ্ডল জানিয়েছেন, বুধবার রাত ১২টা নাগাদ খবর পান, তাঁর চেম্বারে আগুন লেগে গিয়েছে। তিনি যখন ঘটনাস্থলে পৌঁছান, জল দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন গ্রামবাসীরা। কিন্তু, ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। আগুনে চেম্বারটি পুরোপুরি ভষ্মীভূত হয়ে যায়। পল্লি চিকিৎসক মাজেয়ার মণ্ডলের দাবি, আগুনে লক্ষাধিক টাকার ওষুধ, নগদ টাকা ও একটি মোটরবাইক পুড়ে গিয়েছে।
[হদিশ নেই ২৬ ব্যালট বক্সের, মুর্শিদাবাদে পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে তল্লাশি]
কিন্তু, কীভাবে আগুন লাগাল চিকিৎসকের চেম্বারে? স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, মাজেয়ার মণ্ডল সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। তাঁর চেম্বারের মিটিং করতেন শাসকদলের নেতারা। তাই পঞ্চায়েতে ভোটে হেরে মাজেয়ার মণ্ডলের চেম্বারের আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন সিপিএম কর্মীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দলের স্থানীয় নেতা মতিয়ার মণ্ডল।
[কেরলের আতঙ্ক বাংলায়, বারুইপুরের লিচুবাগানে খোঁজ নিপা ভাইরাসের]